২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ লাখ কর্মী নেবে সৌদি আরব ও আমিরাত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:২২ অপরাহ্ণ
২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ লাখ কর্মী নেবে সৌদি আরব ও আমিরাত

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যাপক প্রসার সত্ত্বেও আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৫ লাখের বেশি কর্মীর চাহিদা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি বৈশ্বিক শ্রমশক্তি সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
দুবাইয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বুর্জ খলিফার কাছে কাজ করছে শ্রমিকরা।

Manual3 Ad Code

গবেষণায় দেখা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবসা পরিচালনার ধরণ পরিবর্তন করলেও এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মানবকর্মীর সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস করছে না। বরং এর পরিবর্তে শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা সম্প্রসারণের মতো উভয় দেশেই শ্রমের টেকসই চাহিদাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

Manual7 Ad Code

সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির কারণে শ্রমশক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরমধ্যে নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটন, উৎপাদন, সরবরাহ এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলে বৃহৎ বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি না হলে, সৌদি আরবের সম্প্রসারণ পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্য আরও প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন হতো। সয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বিবেচনা নেয়ার পরও, আগামী বছরগুলোতে দেশটিকে উল্লেখযোগ্য শ্রম ঘাটতির মুখে পড়তে হতে পারে।

অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রমশক্তির চাহিদা আরও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোট কর্মীর সংখ্যা ১২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এটিকে দ্রুততম বর্ধনশীল শ্রমবাজারগুলোর মধ্যে একটিতে পরিণত করবে।

Manual2 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবকর্মীর এই ১২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত বাজারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে সৌদি আরবের কর্মীর বৃদ্ধি ১১ দশমিক ৬ শতাংশ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিপরীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (২ দশমিক ১), যুক্তরাজ্যের (২ দশমিক ৮ শতাং) মতো প্রধান অর্থনীতিতে এই সম্প্রসারণ অনেক বেশি ধীর।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে সার্ভিসনাউ ও পিয়ারসন। সার্ভিসনাউ হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার কোম্পানি, যা বিভিন্ন দেশের সরকার ও বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ওয়ার্কফ্লো এবং অটোমেশন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। অন্যদিকে পিয়ারসন হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি বৈশ্বিক শিক্ষা কোম্পানি, যা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও শ্রমশক্তি মূল্যায়নে বিশেষ পারদর্শী।”

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code