২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:২০ অপরাহ্ণ
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

সৌদি আরবের মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের ওপরের তলা থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক যুবক। তবে এক নিরাপত্তারক্ষীর দ্রুত তৎপরতায় বেঁচে গেছেন ওই যুবক। এমন বীরোচিত কাজের জন্য এখন প্রশংসায় ভাসছেন ওই নিরাপত্তারক্ষী।
আত্মহত্যার চেষ্টাকারী যুবককে বাঁচাতে গিয়ে আহত নিরাপত্তারক্ষী রায়ান বিন সাঈদ বিন ইয়াহইয়া আল-আহমাদ।

আবর নিউজ ও খালিজ টাইমসের প্রতিবেদন মতে, ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবারের (২৫ ডিসেম্বর)। আত্মহত্যার চেষ্টা করা ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মসজিদ আল হারাম নামে পরিচিত গ্র্যান্ড মসজিদের ওপরের তলা থেকে এক ব্যক্তি লাফিয়ে পড়েন। মসজিদের নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন বিশেষ বাহিনী জানায়, তারা এ ঘটনার দ্রুত সাড়ায় দেয় এবং ওই যুবককে মাটিতে পতনের হাত থেকে রক্ষা করে। এতে একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আহত হন।

Manual1 Ad Code

কর্তৃপক্ষ জানায, ওই যুবক এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তা উভয়কেই চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা হয়। মসজিদে হারামের নিরাপত্তা বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গ্র্যান্ড মসজিদের ওপরের তলা থেকে একজন ব্যক্তির আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।’

Manual2 Ad Code

আরও বলা হয়, ‘একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা মাটিতে পড়ে যাওয়ার মুহূর্তে তাকে আটকাতে গিয়ে আহত হন। উভয় ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করা হয় এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।’

গ্র্যান্ড মসজিদের প্রধান ইমাম শেখ ড. আবদুর রহমান আস সুদাইস এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানান এবং হজযাত্রীদের ‘বিধিবিধান ও নির্দেশাবলী মেনে চলা, মসজিদের পবিত্রতাকে সম্মান করার, সঠিক ইসলামি রীতিনীতি পালন করার এবং ইবাদত ও আনুগত্যে আত্মনিয়োগ করার’ আহ্বান জানান।

Manual7 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ইসলামি আইনের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি হলো জীবন রক্ষা করা এবং ধ্বংসের মুখে না ফেলা, যেমন আল্লাহ সর্বশক্তিমান বলেছেন: ‘এবং তোমাদের নিজের হাতে নিজেদের ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ করো না।’

সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন সৌদ বিন নায়েফ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আত্মহত্যার চেষ্টাকারী যুবককে বাঁচাতে গিয়ে আহত নিরাপত্তারক্ষী রায়ান বিন সাঈদ বিন ইয়াহইয়া আল-আহমাদের সাথে দেখা করেন এবং তার সাহসিকতার প্রশংসা করেন।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code