২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জাপানে দুর্ঘটনার কবলে অর্ধ-শতাধিক গাড়ি, নিহত দুই

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
জাপানে দুর্ঘটনার কবলে অর্ধ-শতাধিক গাড়ি, নিহত দুই

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual7 Ad Code

তুষারপাতের সতর্কতার মধ্যে জাপানের গানমা প্রদেশে একটি এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে ৫০টির বেশি যানবাহন। এতে অন্তত দুইজন নিহত এবং আরও অন্তত ২৬ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

Manual2 Ad Code

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। টোকিও থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মিনাকামি শহরের কান-এতসু এক্সপ্রেসওয়েতে দুটি ট্রাকের সংঘর্ষ থেকে দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয়। এরপর দ্রুতগতির আরও অনেক গাড়ি এসে ওই দুই গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে।

Manual1 Ad Code

সংঘর্ষের পরই একের পর এক যানবাহনে আগুন ধরে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, এতে টোকিওর ৭৭ বছর বয়সি এক নারী এবং একজন ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Manual4 Ad Code

তুষারপাতের সতর্কতার মধ্যে নিউ ইয়ারের ছুটি শুরু হওয়ায় সড়কে যানবাহনের চাপ বেশি ছিল। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাকগুলো রাস্তা আটকে দিলে পেছন থেকে আসা গাড়িগুলো পিচ্ছিল সড়কে ব্রেক করতে না পেরে একের পর এক ধাক্কা খায়।

দুর্ঘটনার এক প্রান্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, এতে ডজনখানেক যানবাহন পুড়ে যায়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। পুলিশ বলেছে, আগুনে কেউ আহত হননি এবং প্রায় সাত ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

এর আগে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ শুক্রবার গভীর রাতে ভারী তুষারপাতের বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। সাধারণত প্রত্যেক বছর বহু জাপানি নববর্ষের ছুটি শুরু করেন। এই দুর্ঘটনার কারণ জানতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code