২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয় লিবিয়ার সামরিক বিমানটি!

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৬:৫৩ অপরাহ্ণ
বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয় লিবিয়ার সামরিক বিমানটি!

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানী আঙ্কারা থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরেই বিধ্বস্ত একটি বেসরকারি বিমানের ভয়েস রেকর্ডার এবং ব্ল্যাক বক্স খুঁজে পেয়েছে তুরস্কের কর্তৃপক্ষ। এতে লিবিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং তার চার সহযোগী নিহত হন।
লিবিয়ার সামরিক বিমান বিধ্বস্তের আগে বৈদ্যুতিক ত্রুটির খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে তুরস্ক।

তুর্কি কর্মকর্তারা জানান, ফ্যালকন ৫০ বিমানটি উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরেই বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে জরুরি অবতরণের অনুরোধ করে, কিন্তু তারপরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি ত্রিপোলিতে ফিরে আসছিল।
আঙ্কারার কাছে হাইমানা জেলায় তুর্কি নিরাপত্তা কর্মীরা বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পান।

Manual2 Ad Code

ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়েরলিকায়া বলেন, বিমান থেকে ভয়েস রেকর্ডার এবং ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (ব্ল্যাক বক্স) উদ্ধার করা হয়েছে।
এই ডিভাইসগুলোর পরীক্ষা এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শুরু করেছেন বলেও জানানো হয়।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আল-হাদ্দাদ এবং আরও চারজন সহযোগী তুর্কি সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে আঙ্কারায় আলোচনা শেষে ত্রিপোলিতে ফিরছিলেন। বিমানটিতে তিনজন ক্রু সদস্যসহ আটজন যাত্রী ছিলেন।
ইয়েরলিকায়া বলেন, মৃতদেহগুলো এখনও ধ্বংসস্তূপে রয়েছে। এছাড়া ২২ সদস্যের একটি লিবিয়ান প্রতিনিধিদল আঙ্কারায় পৌঁছেছে।

Manual1 Ad Code

আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহের ফলে দীর্ঘদিনের নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন ও নিহত হওয়ার পর থেকে উত্তর আফ্রিকার এই দেশটি বিভক্ত হয়ে পড়েছে।ত্রিপোলিতে জাতিসংঘ-সমর্থিত সরকারের সাথে তুরস্কের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যেখানে তারা অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ঘন ঘন সফর হয়েছে

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code