২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় সেবা খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন বন্ধের ঘোষণা

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৬:৫১ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় সেবা খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন বন্ধের ঘোষণা

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

মালয়েশিয়ায় ২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

দেশটির অভ্যন্তরীণ-বিষয়ক মন্ত্রণালয় (কেডিএন) বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়ের (কেপিডিএন) আওতাভুক্ত সেবা খাতের বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা প্রায় পূরণ হয়ে যাওয়ায় এই খাতে নতুন আবেদন গ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।

সরকার ২০২৫ সালের জন্য সেবা খাতে মোট ৩০ হাজার বিদেশি কর্মীর কোটা নির্ধারণ করেছিল। বর্তমানে প্রাপ্ত আবেদনের সংখ্যা এই সীমার একদম কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নির্ধারিত সময়ের আগেই আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

Manual1 Ad Code

সেবা খাতের (কেপিডিএন-এর অধীনে) নিয়োগকর্তারা আগামী ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখের পর আর কোনো আবেদন করতে পারবেন না। কেডিএন-এর ওয়ান স্টপ সেন্টার (ওএসসি) এদিন থেকে এই খাতের সব আবেদন গ্রহণ বন্ধ রাখবে।

Manual4 Ad Code

তবে সেবা খাত ছাড়া অন্য সব অনুমোদিত উপ-খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন এখনো উন্মুক্ত রয়েছে। ওইসব খাতের নিয়োগকর্তারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

অভ্যন্তরীণ-বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের বর্তমান নিয়ম ও শর্তাবলী মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।

Manual4 Ad Code

বিশেষ করে যারা সেবা খাতের বাইরে অন্য খাতে কর্মী নিতে চান তাদের হাতে সময় আছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও পরবর্তী আপডেটের জন্য নিয়োগকর্তাদের নিয়মিত কেডিএন এবং কেপিডিএন-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সরকারি বিজ্ঞপ্তির দিকে নজর রাখতে হবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code