২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

অস্ট্রেলিয়ায় হচ্ছে না ইতালির সিরি ‘আ’র ম্যাচ

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৫:২১ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ায় হচ্ছে না ইতালির সিরি ‘আ’র ম্যাচ

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ইতালিয়ান সিরি ‘আ’র এসি মিলান ও কোমোর মধ্যকার ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসেছে আয়োজকরা।
অস্ট্রেলিয়ায় হচ্ছে না মিলান ও কোমোর ম্যাচ।

আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি এসি মিলান ও কোমোর ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল মিলানের মাঠ সান সিরোতে। তবে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শীতকালীন অলিম্পিক শুরু হওয়ায় সেই মাঠ ব্যবহার করা যাবে না। যার কারণে সিরি ‘আ’ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া সরকারের যৌথ আয়োজনে ম্যাচটি পার্থে আয়োজন করতে চেয়েছিল।

Manual4 Ad Code

তবে খেলোয়াড়দের সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে সেই ম্যাচটি এখন আর অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিত হবে না। এই সূচির কথা যখন প্রকাশিত হয় তখন এসি মিলানের বেশকিছু ফুটবলার সমালোচনা করে। কারণ, একটি ম্যাচের জন্য তাদের ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ ভ্রমণ করতে হবে।

Manual5 Ad Code

সোমবার এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে দেশের সীমানার বাইরে প্রথমবারের মতো পার্থে ইউরোপিয়ান লিগের ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। আর্থিক ঝুঁকি, কঠিন কন্ডিশন ও শেষ মুহূর্তের জটিলতায় উভয় পক্ষ এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।’

Manual8 Ad Code

এর আগে স্পেনের লা লিগা কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে বার্সেলোনার একটি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিলো। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসে লা লিগা কর্তৃপক্ষ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code