২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে আবারও তলব

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৫:১৯ অপরাহ্ণ
ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে আবারও তলব

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছে ভারত। ভারতে বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশনগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলার ঘটনা এবং কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পর আজ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়।
নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই’র বরাতে এই খবর জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করার পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়। যা চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় তলবের ঘটনা।

Manual4 Ad Code

আজ মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে। প্রণয় ভার্মাকে তলব করে ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং নয়াদিল্লিতে হাইকমিশনারের বাসভবনের বাইরের ঘটনা এবং ২২ ডিসেম্বর শিলিগুড়ির ভিসা সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় ঢাকার উদ্বেগ প্রকাশ করে।

Manual3 Ad Code

এদিকে বাংলাদেশকে ঘিরে টানা কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে ভারতের একাধিক শহরে। কলকাতা, শিলিগুড়ি থেকে শুরু করে রাজধানী দিল্লি– প্রতিটি জায়গাতেই বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও ভিসা সংক্রান্ত অফিস ঘিরে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ এবং কড়া নিরাপত্তার ছবি সামনে আসছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগই এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) কলকাতায় শতাধিক বিক্ষোভকারী শিয়ালদহ থেকে পদযাত্রা শুরু করেন বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের দিকে। ‘হিন্দু হুঙ্কার পদযাত্রা’ নামে এই মিছিলের আয়োজন করে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। শহরের বেকবাগান এলাকায় পৌঁছাতেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডেপুটি হাইকমিশনের চারপাশে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

কলকাতার পাশাপাশি শিলিগুড়িতেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ ভিসা এপ্লিকেশন সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ দেখান অনেকে। দাবি ওঠে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিসা পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হোক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

Manual7 Ad Code

এর আগে একই ধরনের চিত্র ধরা পড়ে রাজধানী দিল্লিতেও। বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে বিক্ষোভের জেরে কূটনৈতিক এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়। দিল্লি পুলিশ জানায়, কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা কোনোভাবেই ঝুঁকিতে পড়তে দেয়া হবে না।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code