২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন পরিকল্পনা সংশোধনের ইউরোপীয় পদক্ষেপের সমালোচনা রাশিয়ার

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
মার্কিন পরিকল্পনা সংশোধনের ইউরোপীয় পদক্ষেপের সমালোচনা রাশিয়ার

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইউরোপীয় দেশগুলো এবং ইউক্রেন যে পরিবর্তন এনেছে তা শান্তির সম্ভাবনাকে বাড়াবে না বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। খবর আল জাজিরার।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে জাপোরিঝিয়ায় বিমান হামলার পর একজন অগ্নিনির্বাপক কর্মী একটি ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবন দেখছেন।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাশিয়ান সংবাদ সংস্থাগুলো প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শীর্ষ পররাষ্ট্র নীতি সহকারী ইউরি উশাকভকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘আমি নিশ্চিত যে ইউরোপীয় এবং ইউক্রেনীয়রা যে প্রস্তাবগুলো দিয়েছে বা করার চেষ্টা করছে তা অবশ্যই নথির উন্নতি করে না এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তি অর্জনের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে না।’

Manual3 Ad Code

প্রায় চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রণীত প্রস্তাবগুলো গত মাসে গণমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে, তাতে ইউরোপীয় এবং ইউক্রেনীয়দের উদ্বেগ জাগিয়ে তুলেছে যে, তারা রাশিয়ার যুদ্ধকালীন দাবিগুলোকে বেশি সমর্থন করে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউক্রেনকে অতিরিক্ত কিছু মেনে নিতে বাধ্য করতে পারে।

তারপর থেকে, ইউরোপীয় এবং ‍ইউক্রেনীয় আলোচকরা মার্কিন খসড়ায় তাদের নিজস্ব প্রস্তাব যুক্ত করার চেষ্টায় ট্রাম্পের দূতদের সাথে দেখা করেছেন, যদিও সংশোধিত প্রস্তাবের সঠিক বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি।

পুতিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ শনিবার ফ্লোরিডায় মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সাথে দেখা করার পর উশাকভের এই মন্তব্য এসেছে। দিমিত্রিভ বলেছেন যে আলোচনা রোববারও চলবে।

Manual2 Ad Code

শুক্রবার থেকে মার্কিন কর্মকর্তারা মায়ামিতে ইউরোপীয় ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সাথেও আলোচনা করছেন।
রোববার একটি সামাজিক মিডিয়া পোস্টে উইটকফ লিখেছেন, ‘ফ্লোরিডায় গত তিন দিন ধরে, ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদল আমেরিকান এবং ইউরোপীয় অংশীদারদের সাথে একাধিক ফলপ্রসূ এবং গঠনমূলক বৈঠক করেছে।’

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, আলোচনায় চারটি মূল বিষয়ের উপর আলোকপাত করা হয়েছে, মার্কিন ২০-দফা পরিকল্পনার আরও উন্নয়ন, একটি বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা গ্যারান্টি কাঠামো, ইউক্রেনের জন্য একটি মার্কিন নিরাপত্তা গ্যারান্টি কাঠামো এবং ইউক্রেন পুনর্গঠনের জন্য অর্থনীতি ও সমৃদ্ধির উপর আরও উন্নয়ন।
তবে, তিনি রাশিয়ান কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার কথা উল্লেখ করেননি

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code