২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ফ্রান্সেসকা আলবানিজ গাজা পুনর্গঠনে ইসরাইল ও তার মিত্রদের খরচ দেয়া উচিত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সেসকা আলবানিজ গাজা পুনর্গঠনে ইসরাইল ও তার মিত্রদের খরচ দেয়া উচিত

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনে খরচ দেয়া উচিত ইসরাইল ও তার প্রধান মিত্রদের। শুক্রবার লন্ডনে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ।

Manual3 Ad Code

গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা। এর ২৩ লাখ জনসংখ্যার ২০ লাখই এখন উদ্বাস্তু হয়ে খোলা ময়দানে আশ্রয় নিয়েছে। হতাহত হয়েছেন প্রায় তিন লাখ মানুষ।

নজিরবিহীন এই ধ্বংসযজ্ঞের জন্য জবাবদিহিতার দাবি জানিয়ে অনুষ্ঠানে আলবানিজ বলেন, ইসরাইলের উচিত যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ইতালির সঙ্গে গাজা পুনর্গঠনের জন্য অর্থ প্রদান করা। এসব দেশ ইসরাইলকে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র সরবরাহ করে।

আরও বলেন, ইসরাইলের পাশাপাশি গাজা গণহত্যায় সহায়তাকারী সকল দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, গাজায় গণহত্যার সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সব রাষ্ট্রকে অবশ্যই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে, বেআইনি দখলদারিত্ব বজায় রাখা রাষ্ট্রকে সহায়তা এবং সহায়তা দেয়া বন্ধ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, সাইপ্রাসের ঘাঁটি থেকে ইসরাইলে সরবরাহ করা পরিষেবাগুলোর মাধ্যমে এই গণহত্যার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের জড়িত থাকার বিষয়ে একটি শক্তিশালী তদন্ত হওয়া উচিত। আরও বলেন, গাজায় দুই বছরের গণহত্যা ‘৬০ বছরের দায়মুক্তির সংমিশ্রণ’।

তার মতে, ইসরাইলের বিষয়ে লন্ডন, রোম, বার্লিন বা প্যারিসের মনোভাব পরিবর্তন না হলে এই গণহত্যা থামবে না।

এদিকে শীতকালীন ঝড় বাইরনের প্রভাবে গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের জীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শরণার্থীদের তাঁবু, ভিজে গেছে খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী।

Manual5 Ad Code

খান ইউনিসসহ বিভিন্ন এলাকায় তাঁবুর ভেতর হাঁটুসমান পানি জমে গেছে। এতে শিশুসহ অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code