২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

প্রথমবার ইতালির বাইরে সিরি আ’র ম্যাচ, পরিচালনা করবেন এশিয়ার রেফারি

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
প্রথমবার ইতালির বাইরে সিরি আ’র ম্যাচ, পরিচালনা করবেন এশিয়ার রেফারি

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

প্রথমবারের মতো ইতালিয়ান ফুটবলের শীর্ষ লিগ সিরি আ’র একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইতালির বাইরে। ২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এসি মিলান ও কোমো ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সিরি আ’র সভাপতি এজিও সিমোনেলি খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
প্রথমবার ইতালির বাইরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিরি আ’র কোনো ম্যাচ।
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে লা লিগার একটি ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল বার্সেলোনা ও ভিয়ারিয়াল। কিন্তু লিগের কয়েকটি ক্লাব ও খেলোয়াড়রা তার বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে বাধ্য হয় লিগ কর্তৃপক্ষ।

Manual4 Ad Code

ইতালিয়ান সুপার কাপ খেলতে এসি মিলানসহ সিরি ‘আ’র চারটি দল এখন আছে সৌদি আরবে। এই উপলক্ষ্যে সিরি ‘আ’ প্রধান সিমোনেলিও এখন রিয়াদে। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিলান-কোমোর ম্যাচটি সত্যিই ৮ ফেব্রুয়ারি পার্থে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে আমাদের একটি বৈঠক হয়েছে। বিদেশি রেফারি ব্যবহারের শর্ত নিয়ে আমাদের সন্দেহ ছিল। তবে পিয়েরলুইজি কোলিনা (ফিফা রেফারি কমিটির চেয়ারম্যান) আমাদের তাদের মান সম্পর্কে নিশ্চয়তা দিয়েছেন।’

অস্ট্রেলিয়া এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সদস্য। সংস্থাটি পার্থে এশিয়ান রেফারি ব্যবহারের শর্ত দিয়েছিল। সেই শর্ত মেনে নিলেও বিপণনসহ আরও কিছু বিষয় অমীমাংসিত আছে বলে জানান সিমোনেলি।
১৮৯৮ সালে শুরু হয় ইতালির শীর্ষ লিগ। ১৯২৯ সাল এই লিগের নাম হয় সিরি আ। এর আগে কখনোই এই লিগের কোনো ম্যাচ ইতালির বাইরে হয়নি। এবার শুধু ইতালিই নয়, ইউরোপ মহাদেশেরই বাইরে হতে যাচ্ছে সিরি আ’র ম্যাচ।

Manual3 Ad Code

তবে সিরি আ’র ম্যাচটি ইতালির বাইরে হওয়ার বিশেষ একটি কারণও রয়েছে। ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মিলানের মাঠ সান সিরোয় শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তার দুই দিন পরই কোমোর বিপক্ষে তাদের ম্যাচ। এ কারণেই ইতালির বাইরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিরি আ’র এই ম্যাচটি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code