৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জর্ডানকে হারিয়ে আরব কাপ জিতল মরক্কো

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
জর্ডানকে হারিয়ে আরব কাপ জিতল মরক্কো

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ফ্রান্সের বিপক্ষে শাসরুদ্ধকর জয়ে বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরেছিলেন লিওনেল মেসি। তিন বছর পেরিয়ে ঠিক একইরাতে একই মাঠ, জর্ডানের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে ফিফা আরব কাপের শিরোপার স্বাদ পেল মরক্কো।
দ্বিতীয়বারের মতো আরব কাপের শিরোপা জিতল মরক্কো।

Manual1 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে কাতারের দোহায় লুসাই স্টেডিয়ামে জর্ডানকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মরক্কোর হয়ে হামদাল্লাহ পাশাপাশি একটি গোল করেন ওসমান তান্নানি। জর্ডানের হয়ে জোড়া গোল করেন আলি ওলান।

Manual1 Ad Code

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে তান্নানির গোলে লিড পায় মরক্কো। প্রথমার্ধে আর কোনো দল জালের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে যায় জর্ডান। ৪৮ মিনিটে আলির গোলে সমতায় ফিরে, ৬৪ মিনিটে ডি-বক্সে মরক্কো ফাউল করলে পেনাল্টি পায় দলটি, আবারও আলির গোলে এগিয়ে যায় জামাল সেলামীরের শিষ্যরা।

ম্যাচের ৮৭ মিনিটে হামদাল্লাহর গোলে সমতায় ফেরে মরক্কো। ২-২ গোলে সমাতায় থেকে ৯০ মিনিট শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচের ১০০তম মিনিটে হামদাল্লাহর দ্বিতীয় গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। অতিরিক্ত সময় আর কোন গোল না হলে ৩-২ ব্যবধানের জয়ে আরব কাপের শিরোপা জেতে ২০১২ আসরের চ্যাম্পিয়নরা।

Manual1 Ad Code

মরক্কোর সামনে আরেক বড় লড়াই। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ম্যাচে নামতে হবে তাদের। আরব কাপে শিরোপা জিতে ব্রাজিল, স্কটল্যান্ড ও হাইতিকে একটা বার্তা দিয়ে রাখল মরক্কো।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code