২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সৌদি আরবে ভূমিকম্পের আঘাত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৬:২৯ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে ভূমিকম্পের আঘাত

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual7 Ad Code

সৌদি আরবের একটি প্রদেশে ৪.৩ মাত্রার এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ভোরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)।

Manual8 Ad Code

সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এবং সৌদি গেজেট ভূমিকম্পের এ খবর জানিয়েছে। যদিও তাদের প্রতিবেদনে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

খালিজ টাইমস বলছে, দেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ৫০ কিলোমিটার গভীরে।
তবে সৌদি গেজেট জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৪.০ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল প্রায় ৮ কিলোমিটার গভীরে।

সৌদি ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার সরকারি মুখপাত্র তারেক আবা আল-খাইল জানান, এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তার মতে, ভূমিকম্পটি এই অঞ্চলের মানুষ কিংবা অবকাঠামোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করার মতো শক্তিশালী ছিল না।

Manual4 Ad Code

তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, ইরানের জাগ্রোস পর্বতমালায় অ্যারাবিয়ান এবং ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট টেকটোনিক চাপের সাথে এই ভূমিকম্প যুক্ত।

Manual1 Ad Code

তারেক আবা আল-খাইল বলেন, এই চাপগুলো সৌদি আরবের পূর্ব প্রদেশের নিচে পৃথিবীর ভূত্বকের পূর্ব-বিদ্যমান ত্রুটিগুলোকে পুনরায় সক্রিয় করতে পারে, যার ফলে মাঝে মাঝে ছোটখাটো কম্পন অনুভূত হয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code