২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলছে বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলছে বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে জাঁকজমক আয়োজনে চলছে বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি। নিউইয়র্কের রকফেলার সেন্টারে সাজ সাজ রব। আর শুধু নিউইয়র্ক নয়, ছুটির মৌসুম শুরুর পর থেকে ওয়াশিংটন ডিসি, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোসহ বড়দিনের প্রস্তুতি চলছে দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে।
রকফেলার সেন্টারের বিশাল ক্রিসমাস ট্রি আর বরফে ঢাকা আইস রিঙ্কে স্কেটারদের ব্যস্ততা দিয়ে শুরু উৎসবের আমেজ।

বড়দিন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর পুরোপুরি ছুটির আমেজে ঝলমল করছে। রকফেলার সেন্টারের বিশাল ক্রিসমাস ট্রি আর বরফে ঢাকা আইস রিঙ্কে স্কেটারদের ব্যস্ততা দিয়ে শুরু উৎসবের আমেজ। পর্যটক আর স্থানীয়দের ভিড়ে রূপকথার শহরে পরিণত হয়েছে নিউইয়র্ক।

সান্তার পোশাক পরা পেডিক্যাব চালক, ঝলমলে দোকানের সাজানো জানালা আর আকাশে ঝুলে থাকা বরফের ফুলগুলো পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে। টাইমস স্কয়ারে নিয়ন আলো আর ইলেকট্রনিক বিলবোর্ডে নববর্ষের বল। সব মিলিয়ে নিউইয়র্ক এখন পুরোপুরি উৎসবের শহর।

ওয়াশিংটন ডিসিও আলোয় ঝলমল করছে। ক্যাপিটল হিল থেকে হোয়াইট হাউস, সবখানেই ক্রিসমাসের সাজ। আলো, গাছ আর ভিড়ে শুরু হয়ে গেছে উৎসবের মৌসুম।

Manual8 Ad Code

ন্যাশনাল মলের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল গাছের চারপাশে চলছে ছবি তোলা আর ঘোরাঘুরি। জর্জটাউন, সিটি সেন্টার আর পোটোম্যাক নদীর তীর, সব জায়গায় আলো আর সাজে ভরে গেছে ওয়াশিংটন ডিসি শহর।

Manual7 Ad Code

বড়দিনের আবহে আলো, ক্রিসমাস ট্রি আর আইস স্কেটিংয়ে উৎসবমুখর শিকাগো শহর। ভারী শীতে কাঠের দোকান, গরম বাদাম আর হট কোকোতে মানুষ খুঁজে নিচ্ছে উষ্ণতা। ম্যাগি ডেলি পার্ক এবং মিলেনিয়াম পার্কে আইস স্কেটিং চলছে। আলো, বরফ আর আইস স্কেটিংয়ে মাঝেই শিকাগো ছুটির মৌসুমে হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর।

জানুয়ারিতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতবিক্ষত হয় লস অ্যাঞ্জেলেস। তবুও ছুটির এই মৌসুমে আলো আর সাজে শহরটি জানাচ্ছে, আশা এখনো বেঁচে আছে। আলটাডেনার ‘ক্রিসমাস ট্রি লেন’ হয়ে উঠেছে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক।

শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফিরেছে চেনা উৎসব। গ্রোভ শপিং সেন্টার, রোডিও ড্রাইভ আর পার্শিং স্কয়ারে আলো, গাছ আর আইস স্কেটিংয়ে জমেছে ভিড়। সব কষ্ট পেরিয়ে আবারও ছুটির আনন্দে শামিল লস অ্যাঞ্জেলেস শহর।

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code