২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

স্যান্ডহার্স্টে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি অফিসার ক্যাডেট রিফাত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৮:১০ অপরাহ্ণ
স্যান্ডহার্স্টে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি অফিসার ক্যাডেট রিফাত

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual7 Ad Code

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসার ক্যাডেট শাকিব আহসান রিফাত যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ রয়্যাল মিলিটারি একাডেমি স্যান্ডহার্স্ট (আরএমএএস)-এ প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করে ইতিহাস গড়েছেন।

দেশের কোনো ক্যাডেটের জন্য এটি একেবারেই অনন্য অর্জন, কারণ একই অনুষ্ঠানে তিনি দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছেন— যা আগে কখনও বাংলাদেশের কোনো ক্যাডেট করেননি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো অফিসার ক্যাডেট একই সঙ্গে এই দুই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হন।

Manual1 Ad Code

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) আয়োজিত কমিশনিং কোর্সের পাসিং আউট প্যারেডে শাকিব আহসান রিফাতকে “ইন্টারন্যাশনাল সোর্ড অব অনরার” দেয়া করা হয়।

এই পুরস্কার কমিশনিং কোর্সে অংশ নেয়া সকল বিদেশি ক্যাডেটের মধ্যে সামগ্রিকভাবে সেরা পারফরম্যান্সের জন্য প্রদান করা হয়।

Manual1 Ad Code

একই সঙ্গে তিনি “ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড” লাভ করেন; যা সামরিক, একাডেমিক ও ব্যবহারিক মূল্যায়নে আন্তর্জাতিক ক্যাডেটদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনের স্বীকৃতি।

Manual4 Ad Code

১৮টি দেশের ১৮৪ জন ক্যাডেটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই দুই অর্জন বাংলাদেশকে সামরিক প্রশিক্ষণে বিশ্বমানের অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে অভিহিত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনও অফিসার ক্যাডেট রিফাতকে অভিনন্দন জানিয়েছে। এক ফেসবুক পোস্টে রিফাতের অসাধারণ সাফল্যকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সামরিক ও শিক্ষাগত সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code