২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ডিএসইতে বেড়েছে শেয়ারশূন্য বিও অ্যাকাউন্ট

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৩:৪২ অপরাহ্ণ
ডিএসইতে বেড়েছে শেয়ারশূন্য বিও অ্যাকাউন্ট

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

৬ মাসের মধ্যে গত সপ্তাহে সর্বনিম্ন দৈনিক লেনদেন দেখলো ঢাকার পুঁজিবাজার। যদিও বেড়েছে বাজার মূলধন ও প্রধান সূচক। এসময়ে তালিকাভুক্ত ২১ খাতের মধ্যে ১২টিতেই কমেছে দৈনিক গড় লেনদেন। সপ্তাহজুড়ে দাম বৃদ্ধিতে আধিপত্য ছিল জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির। সবমিলিয়ে সপ্তাহ ব্যবধানে শেয়ারশূন্য বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়েছে দুই হাজারের বেশি।

Manual1 Ad Code

চলতি বছরের ২২ জুন ঢাকার পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছিল ২৭১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এরপর উত্থান পতনে সময় পার করলেও গত সপ্তাহের প্রথম দিন তার থেকেও কম লেনদেন হয়েছে ডিএসইতে। লেনদেন হয়েছে ২৬৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। যদিও পরের চারদিনও ওঠানামার মধ্যে শেষ কার্যদিবস হাত বদল হয় ৪৬৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার।

Manual5 Ad Code

দৈনিক লেনদেনে অস্থিরভাবের মধ্যেই সপ্তাহ শেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৬০৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা; প্রধান সূচকে যোগ হয়েছে ৭৭ পয়েন্ট ২৬ পয়েন্ট।

খাতভিত্তিক লেনদেনের চিত্রে দেখা যাচ্ছে, তালিকাভুক্ত ২১ খাতের মধ্যে বন্ড, আর্থিক খাত, সিরামিক ও পাটসহ ১২টিতেই কমেছে দৈনিক গড় লেনদেন। তবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্যাংক ও টেলিকম খাত।

Manual2 Ad Code

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোম্পানি বাছাইয়ে গত সপ্তাহেও জেড ক্যাটাগরি প্রতিষ্ঠানই ছিলো এগিয়ে। দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ৬টিই এই ক্যাটাগরির। যদিও এর আগের দুই সপ্তাহে ১০টির মধ্যেই ৮ ও ১০টি-ই ছিল জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির দখলে। আর দাম কমতিতে শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানির মধ্যে ৬টি ছিলো সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ‘এ’ ক্যাটাগরির।

পুঁজিবাজারের হিসাব রক্ষাকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান সিডিবিএলের তথ্য, গত সপ্তাহে শেয়ারশূন্য বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়েছে ২১৭৪টি। অর্থাৎ লেনদেনে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code