২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

এশিয়ান কাপ বাছাই’র তিন ম্যাচে বাফুফের আয় ৪ কোটির বেশি

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
এশিয়ান কাপ বাছাই’র তিন ম্যাচে বাফুফের আয় ৪ কোটির বেশি

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু ,স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

সারা বছর যাই হোক না কেন, বছরের শেষ ম্যাচটা তো অন্তত জয় দিয়ে রাঙানো গেছে। গত ১৮ নভেম্বর এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ারের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেটিই ছিল জামাল-হামজাদের বছরের শেষ ম্যাচ।

Manual3 Ad Code

এর আগে ঘরের মাঠে হংকং ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হেরেছে হাভিয়ের কাবরেরার দল। তবে ম্যাচের ফলাফল যাই হোক না কেন, এই তিন ম্যাচ থেকে বেশ মোটা অঙ্কের অর্থ আয় করেছে বাফুফে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিন ম্যাচ থেকে ৪ কোটি টাকারও বেশি আয় করেছে বাফুফে।

Manual3 Ad Code

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিন ম্যাচ থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয় ৪ কোটি টাকারও বেশি। তবে এর মধ্যে বাফুফের সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে। গত ১৮ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে বাফুফে আয় করেছে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

Manual7 Ad Code

গত ৯ অক্টোবর এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে হংকংকে আতিথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচটা ছিল উত্তেজনায় ভরপুর। ৭ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ৪-৩ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। যদিও পরের ম্যাচে হংকংয়ের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছিল হামজা-শমিতরা। ম্যাচটা হারলেও আয়ের দিক থেকে কমতি ছিল না বাফুফের।

হংকংয়ের বিপক্ষে সে ম্যাচ থেকে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির আয় হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ টাকা। তার আগে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও একইভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ।

সে ম্যাচেও শেষের দিকে গোল হজম করে পয়েন্ট খোয়াতে হয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। ম্যাচটা তারা হেরেছিল ২-১ গোলের ব্যবধানে। সে ম্যাচ থেকে বাফুফের আয় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এই তিন ম্যাচ থেকে বাফুফের মোট আয় ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা। হামজা-শমিতরা আসায় দেশের ফুটবলে নতুন করে তৈরি হয়েছে জোয়ার।

সেইসঙ্গে জাতীয় দলে যুক্ত হয়েছেন জায়ান আহমেদ, ফাহামেদুল ইসলাম, কিউবা মিচেলের মতো ফুটবলাররা। যে কারণে দেশের ফুটবলে ফিরেছে প্রাণ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code