২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

গাজার রাফাহ ক্রসিং নিয়ে ইসরাইলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ৮ মুসলিম দেশের

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৮, ২০২৫, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
গাজার রাফাহ ক্রসিং নিয়ে ইসরাইলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ৮ মুসলিম দেশের

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং নিয়ে ইসরাইলের বিতর্কিত পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে আট মুসলিম দেশ। আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) মিশর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরাইলি পরিকল্পনার নিন্দা জানান। খবর আল জাজিরার।
ইসরাইল মিশর ও গাজা উপত্যকার মধ্যকার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং।

Manual6 Ad Code

গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে দেশটির সেনারা। সেই সঙ্গে উপত্যকাটি থেকে ফিলিস্তিনিদের উৎখাতেও একের পর এক পরিকল্পনা করছে দেশটির নেতারা।
গত বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকার জানায়, মিশরের সঙ্গে সমন্বয় করে ইসরাইলি ‘নিরাপত্তা অনুমোদন’ নিয়ে গাজার বাসিন্দাদের জন্য রাফাহ ক্রসিং খুলে দেয়া হবে। তবে গাজাবাসী এই ক্রসিং দিয়ে শুধুমাত্র বের হতে পারবে, নতুন করে আর ঢুকতে পারবে না।

Manual3 Ad Code

ইসরাইলের এই পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যুদ্ধবিরতির শর্তের ষ্পষ্ট লঙ্ঘন। এর প্রতিবাদে আজ শনিবার এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে আট মুসলিম দেশ। বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা পুরোপুরি মেনে চলতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানায় দেশগুলো। ২০ দফা পরিকল্পনায় রাফাহ ক্রসিং উভয় দিকেই খোলার কথা বলা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক বৈধতা এবং দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের লক্ষ্যে একটি ন্যায়সঙ্গত, ব্যাপক ও টেকসই শান্তি অর্জনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট সকল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পক্ষের সঙ্গে কাজ করার জন্য তাদের দেশগুলোর প্রস্তুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
ট্রাম্পের পরিকল্পনার অধীনে ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এতে রাফাহ ক্রসিংয়ের উভয় দিক খুলে দেয়ার কথা বলা হলেও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এটা এখনও খুলে দেয়নি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code