৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

পেন্টাগনের বিরুদ্ধে মামলা করল নিউইয়র্ক টাইমস

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
পেন্টাগনের বিরুদ্ধে মামলা করল নিউইয়র্ক টাইমস

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

Manual7 Ad Code

সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকারের ওপর নতুন বিধিনিষেধের জেরে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় প্রতিরক্ষা বিভাগ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেলকে বিবাদী করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী, সাংবাদিকদের একটি অঙ্গীকারনামায় সই করতে হবে, যেখানে বলা আছে, তারা অনুমোদনবিহীন কোনো তথ্য সংগ্রহ করবেন না। নিউইয়র্ক টাইমসের অভিযোগ, এই নীতির ফলে মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে সাংবাদিকদের কাজ করার স্বাধীনতা।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, পেন্টাগন রিপোর্টারদের যে ২১ পৃষ্ঠার একটি চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করা হয়েছিল, তা আইনবিরোধী ও অসাংবিধানিক। এই নীতির প্রতিবাদে নিউইয়র্ক টাইমসের ছয়জন সাংবাদিকসহ বহু সাংবাদিক তাদের পেন্টাগন অ্যাক্সেস ব্যাজ জমা দিয়ে দেন।

এছাড়া কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সাংবাদিকদের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে-যা আগের নির্দেশনার তুলনায় বড় পরিবর্তন।

Manual2 Ad Code

দ্য গার্ডিয়ান, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, সিএনএন, রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, এনপিআরসহ একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম এই নতুন শর্তে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মামলায় নিউইয়র্ক টাইমস আদালতের কাছে পেন্টাগনকে এই নীতিমালা প্রয়োগ বন্ধের নির্দেশ দেয়ার অনুরোধ করেছে।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, যেকোনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে যখনই গণমাধ্যমকে সীমিত করার চেষ্টা হয়েছে, তারা সেটিকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রতিহত করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা করবে।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code