২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ‘বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট’, অংশ নেবে ৬৪টি দল

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৪, ২০২৫, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ‘বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট’, অংশ নেবে ৬৪টি দল

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে এক জমজমাট ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ‘বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ২০২৫’ নামের এই টুর্নামেন্টে মোট ৬৪টি দল অংশ নেবে।
বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

Manual3 Ad Code

স্থানীয় সময় রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুরের জালান ইপুর একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল মোবিন ভূঁইয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

আগামী ২১ ডিসেম্বর কুয়ালালামপুরের সান সো লিন ট্রেন স্টেশনের কাছে জালান সুংগাই বিসির ম্যাট্রিক শাটল কোর্টে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত যেকোনো বাংলাদেশি নারী-পুরুষ খেলোয়াড় এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবেন।

টুর্নামেন্টের বিজয়ী দলগুলোর জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২ হাজার রিঙ্গিত নগদ অর্থ, ট্রফি ও সার্টিফিকেট। প্রথম রানার্সআপ দল পাবে ১ হাজার ২০০ রিঙ্গিত এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ দল পাবে ৫০০ রিঙ্গিত নগদ অর্থ সাথে ট্রফি ও সার্টিফিকেট। দল নিবন্ধনের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ডিসেম্বর।

Manual1 Ad Code

এই টুর্নামেন্টের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তার উপস্থিতি প্রবাসীদের বাড়তি আনন্দ দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।

কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আসগর মিলন বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই প্রবাসীদের নিয়ে আমাদের এই টুর্নামেন্ট আয়োজন। আমরা প্রত্যাশা করি প্রবাসী ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে এটি একটি জমজমাট টুর্নামেন্ট হবে এবং প্রবাসীদের মিলনমেলায় পরিণত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমান লিমন ও জহিরুল ইসলাম হিরন। সাংবাদিক মোস্তফা ইমরান রাজুর পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন মো: মিজান, শাহজাহান আলম, শেখ আরিফুজ্জামান, শেখ শাকিল, বাপ্পি কুমার দাস ও মো: ইকবাল হোসেন।

আয়োজকরা মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ২১ ডিসেম্বর রোববারের ছুটির দিনে মাঠে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code