২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জেদ্দায় বাংলাদেশ সহ ১৬টি দেশের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী হলো অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫ 

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৪, ২০২৫, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
জেদ্দায় বাংলাদেশ সহ ১৬টি দেশের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী হলো অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫ 

Manual1 Ad Code
সৌদিআরব : সৌদি আরবের জেদ্দায় শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫। আনুষ্ঠানিকভাবে এক্সপোটির উদ্বোধন করেন জেদ্দার গভর্নর মান্যবর প্রিন্স সউদ বিন আবদুল্লাহ বিন জলাওয়ি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিনিধি, কুটনীতিকবৃন্দ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক প্রদর্শকগণ অংশ নেন।
এবারের আসরে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের ১৬টি দেশ অংশগ্রহণ করেন। এতে অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান—ঘরের বাজার, গ্লোব সফট ড্রিংক্স লিমিটেড, আগ্রো ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস লিমিটেড, ছোয়া ফ্রোজেন ফুডস লিমিটেড এবং গোল্ডেন প্লাস ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড—এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত হচ্ছে দেশের বহুমুখী কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসামগ্রী—যার মধ্যে রয়েছে সফট ড্রিংক্স, মসলা, মধু, এসেপ্টিক ম্যাঙ্গো পাল্প, রেডি-টু-কুক মাছজাত পণ্য, এবং বিভিন্ন ধরনের ফ্রোজেন ফুড। উদ্বোধনের প্রথম দিনেই বাংলাদেশি পণ্যের গুণগত মান ও বৈচিত্র্য দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বাংলাদেশ কন্স্যুলেট জেনারেল জেদ্দার সার্বিক সহযোগিতায় এবারই প্রথম এই মেলায় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেন সুলতান আল হামিদ, হেড অব গভর্ণমেন্ট রিলেশন্স ডিপার্টমেন্ট, জেদ্দা চেম্বার কনসাল জেনারেল মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫ মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশটির রপ্তানি সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা বলেন, অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫ মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাণিজ্য সম্প্রসারণের একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সৌদি আমদানিকারকদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সংযোগ শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের কৃষিপণ্য, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প এবং আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন সক্ষমতা বিশ্বমঞ্চে আরও দৃশ্যমান করবে।
৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত এই মেলায় চলবে সেমিনার, পণ্য প্রদর্শনী এবং বি-টু-বি ব্যবসায়িক আলোচনা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code