৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

পাইকগাছায় যুব সংঘের উদ্যোগে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজনে

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৫, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
পাইকগাছায় যুব সংঘের উদ্যোগে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজনে

Manual8 Ad Code

মোঃ শফিয়ার রহমান পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল” যুব অবক্ষয় রোধে ক্রীড়াঙ্গন” মাদককে না বলি খেলার মাঠে ফিরে আসি ” এ স্রোগানকে সামনে রেখেৎখুলনার পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালীতে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী হয়েছে।

Manual3 Ad Code

শুক্রবার বিকেলে দক্ষিণ সোনাতনকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে সোনাতনকাটি ইসলামী সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন,এ, পি, পি সাইবার ট্রাইব্যুনাল,খুলনা,বিশিষ্ট সমাজ সেবক জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সাবেক সদস্য এ্যাড: মো: আব্দুল হক গাজী(এসকেন্দার)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রভাষক আজিজুর রহমান সবদার। সোনাতনকাটি সমাজ কল্যাণ সংঘের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচালনায় এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইদ্রিস খান,মোস্তফা খালিদ সাইফুল্লাহ,আশরাফুল ইসলাম, আবু জাফর, মারুফ শেখ, আছাফুর রহমান, হাবিবুর পাহাড়, সুমন আহমেদসহ স্হানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

Manual1 Ad Code

উদ্বোধনী খেলায় প্রথম ম্যাচে অংশগ্রহণ করেন দক্ষিণ সোনাতনকাটি ও হরিদাসকাটি একাদশ।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code