২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের এম পি কাপ টুর্নামেন্ট

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৫, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
আগামী ২২শে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের এম পি কাপ টুর্নামেন্ট

Manual6 Ad Code

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম ::

Manual1 Ad Code

আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিমের উস্তি থানার অন্তর্গত বিধায়ক কার্য্যালয়ে মথুরাপুর লোকসভা র কেন্দ্র এর এম পি কাপ টুর্নামেন্ট এর প্রস্তুতি সভা। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে চলেছে মথুরাপুর লোকসভা র সাতটি বিধান সভা কেন্দ্র। এই টুর্নামেন্টে কে কেন্দ্র করে আগাম প্রস্তুতি চলছে এই লোকসভা কেন্দ্রের সাত টি বিধান সভার বিধায়করা।

আজ মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মগরাহাট পশ্চিমের উস্তি বিধায়ক কার্য্যালয়ে এর প্রস্তুতি সভার আগাম আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাংলা সরকারের সাবেক মাদ্রাসা শিক্ষা ও সংখ্যালঘু দপ্তর মন্ত্রী ও মগরাহাট পশ্চিম বিধান সভার সদস্য গিয়াসউদ্দিন মোল্লা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদ এর স্পিকার মুজিবুর রহমান মোল্লা ও পশ্চিম বাংলার এসটি ওবিসি সেলের সাধারণ সম্পাদক ও মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর সদস্য নুরুজ্জামান সেখ ও মন্টু এবং মগরাহাট পশ্চিমের উস্তি ব্লক উন্নয়ন বোর্ড ভূমি ও বন দপ্তর এর কর্মধক্ষ্য রহমাতুল্লাহ লস্কর ও মগরাহাট পশ্চিমের যুব তৃনমূল দলের নেতা নাজবুল দপ্তরী ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদ এর সদস্য নূর খাতুন বিবি সহ অন্যান্য ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর সদস্য ও মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক তৃনমূল দলের নেতৃবৃন্দ।

Manual2 Ad Code

মথুরাপুর লোকসভা এম পি টুর্নামেন্ট টি অনুষ্ঠিত হবে মথুরাপুর লোকসভা র অন্তর্গত নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিম বাংলা সরকারের মন্ত্রী ও তৃনমূল দলের সাধারণ সম্পাদক শ্রী অভিষেক ব্যানার্জি এম পি সহ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বিধায়ক ও এম পি ও তৃনমূল দলের নেতৃবৃন্দ।।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code