২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

৭০ বছর পর আবারও নারীর কণ্ঠ সংসদে পাঠাতে চায় পাবনা–৩ : সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক সরদার আশা পারভেজ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
৭০ বছর পর আবারও নারীর কণ্ঠ সংসদে পাঠাতে চায় পাবনা–৩ : সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক সরদার আশা পারভেজ

Manual8 Ad Code

৭০ বছর পর আবারও নারীর কণ্ঠ সংসদে পাঠাতে চায় পাবনা–৩ : সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক সরদার আশা পারভেজ

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনা–৩ আসন (ফরিদপুর, ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর) নিয়ে এবার নির্বাচনী মাঠে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন গণফোরাম মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও একমাত্র নারী প্রার্থী সরদার আশা পারভেজ। উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজেই ভোট প্রার্থনা করছেন তিনি।
ফরিদপুর উপজেলার হাদল, ডেমরা, বড় লাহিড়ীবাড়ী, বনোয়ারীনগর, ফরিদপুর ও পুঙ্গলী ইউনিয়নের ভোটারদের আস্থার কেন্দ্রে এখন নারী প্রার্থী সরদার আশা পারভেজ। অন্যদিকে চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল, ছাইকোলা, নিমাইচড়া, গুনাইগাছা, মূলগ্রাম, ফৈলজানা, পার্শ্বডাঙ্গা, ডিবিগ্রাম, মথুরাপুর, হরিপুর ও বিলচলন ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা এই প্রথম একজন নারী এমপি প্রার্থী পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।

Manual3 Ad Code

স্থানীয় ভোটারদের ভাষায়, “বিগত দিনগুলোতে আমরা পুরুষ প্রার্থীদের সংসদে পাঠিয়েছি, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও ন্যায্যতা পাইনি। এবার আমরা কোমল, নরম ও মমতাময়ী একজন মানুষকে সুযোগ দিতে চাই। একজন নারী হয়ে নারী ও সাধারণ মানুষের জন্য তিনি কী করতে পারেন তা একবার দেখে নিতে চাই।”
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নারী ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন সরদার আশা পারভেজ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রায় ৬০ শতাংশ নারী ভোটার গণফোরাম দলের ‘উদীয়মান সূর্য’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Manual3 Ad Code

সরদার আশা পারভেজের পারিবারিক শিকড় ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামে এখানেই তাঁর দাদা ও শ্রীপুর নানার বাড়ি। শৈশব ও বেড়ে ওঠার একটি বড় সময় কেটেছে চাটমোহর উপজেলার থানা বাজার এলাকায়। আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে তিনি পাবনা জজ কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।

Manual7 Ad Code

হরিপুর ইউনিয়নের বাজার এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এ সময় তিনি বলেন, “প্রতিশ্রুতি নয়, ন্যায্যতাই মানুষের অধিকার।”
স্থানীয়দের স্মৃতিচারণায় উঠে আসে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর আগে একজন নারী সংসদ সদস্য ছিলেন, যার অবদান আজও মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। এরপর দীর্ঘ সময় আর কোনো নারী প্রতিনিধিত্ব দেখা যায়নি। দীর্ঘ সেই শূন্যতার পর আবারও তারুণ্যের আত্মবিশ্বাস ও সাহস নিয়ে একজন নারী প্রার্থী সামনে আসায় সাধারণ মানুষ আশাবাদী।

চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুরের সাধারণ ভোটারদের কণ্ঠে এখন একটাই কথা “নারীর হাত শক্ত করলেই ফিরবে ন্যায্যতা। জনগণের শক্তিই একমাত্র ভরসা।”
ভোট দেওয়া যেমন মানুষের অধিকার, তেমনি সঠিক প্রার্থী বেছে নিয়ে সংসদে পাঠানোও অধিকার এমন বিশ্বাস থেকেই তারা উদীয়মান সূর্য প্রতীকে ভোট দিয়ে নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের প্রত্যাশা করছেন।
সবশেষে স্থানীয়দের প্রত্যাশা “আশাই জনগণের একমাত্র ভরসা।”

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code