৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

৭০ বছর পর আবারও নারীর কণ্ঠ সংসদে পাঠাতে চায় পাবনা–৩ : সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক সরদার আশা পারভেজ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
৭০ বছর পর আবারও নারীর কণ্ঠ সংসদে পাঠাতে চায় পাবনা–৩ : সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক সরদার আশা পারভেজ

Manual8 Ad Code

৭০ বছর পর আবারও নারীর কণ্ঠ সংসদে পাঠাতে চায় পাবনা–৩ : সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক সরদার আশা পারভেজ

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনা–৩ আসন (ফরিদপুর, ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর) নিয়ে এবার নির্বাচনী মাঠে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন গণফোরাম মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও একমাত্র নারী প্রার্থী সরদার আশা পারভেজ। উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজেই ভোট প্রার্থনা করছেন তিনি।
ফরিদপুর উপজেলার হাদল, ডেমরা, বড় লাহিড়ীবাড়ী, বনোয়ারীনগর, ফরিদপুর ও পুঙ্গলী ইউনিয়নের ভোটারদের আস্থার কেন্দ্রে এখন নারী প্রার্থী সরদার আশা পারভেজ। অন্যদিকে চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল, ছাইকোলা, নিমাইচড়া, গুনাইগাছা, মূলগ্রাম, ফৈলজানা, পার্শ্বডাঙ্গা, ডিবিগ্রাম, মথুরাপুর, হরিপুর ও বিলচলন ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা এই প্রথম একজন নারী এমপি প্রার্থী পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।

স্থানীয় ভোটারদের ভাষায়, “বিগত দিনগুলোতে আমরা পুরুষ প্রার্থীদের সংসদে পাঠিয়েছি, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও ন্যায্যতা পাইনি। এবার আমরা কোমল, নরম ও মমতাময়ী একজন মানুষকে সুযোগ দিতে চাই। একজন নারী হয়ে নারী ও সাধারণ মানুষের জন্য তিনি কী করতে পারেন তা একবার দেখে নিতে চাই।”
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নারী ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন সরদার আশা পারভেজ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রায় ৬০ শতাংশ নারী ভোটার গণফোরাম দলের ‘উদীয়মান সূর্য’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Manual3 Ad Code

সরদার আশা পারভেজের পারিবারিক শিকড় ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামে এখানেই তাঁর দাদা ও শ্রীপুর নানার বাড়ি। শৈশব ও বেড়ে ওঠার একটি বড় সময় কেটেছে চাটমোহর উপজেলার থানা বাজার এলাকায়। আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে তিনি পাবনা জজ কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।

Manual6 Ad Code

হরিপুর ইউনিয়নের বাজার এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এ সময় তিনি বলেন, “প্রতিশ্রুতি নয়, ন্যায্যতাই মানুষের অধিকার।”
স্থানীয়দের স্মৃতিচারণায় উঠে আসে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর আগে একজন নারী সংসদ সদস্য ছিলেন, যার অবদান আজও মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। এরপর দীর্ঘ সময় আর কোনো নারী প্রতিনিধিত্ব দেখা যায়নি। দীর্ঘ সেই শূন্যতার পর আবারও তারুণ্যের আত্মবিশ্বাস ও সাহস নিয়ে একজন নারী প্রার্থী সামনে আসায় সাধারণ মানুষ আশাবাদী।

চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুরের সাধারণ ভোটারদের কণ্ঠে এখন একটাই কথা “নারীর হাত শক্ত করলেই ফিরবে ন্যায্যতা। জনগণের শক্তিই একমাত্র ভরসা।”
ভোট দেওয়া যেমন মানুষের অধিকার, তেমনি সঠিক প্রার্থী বেছে নিয়ে সংসদে পাঠানোও অধিকার এমন বিশ্বাস থেকেই তারা উদীয়মান সূর্য প্রতীকে ভোট দিয়ে নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের প্রত্যাশা করছেন।
সবশেষে স্থানীয়দের প্রত্যাশা “আশাই জনগণের একমাত্র ভরসা।”

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code