২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশিদের নেতৃত্বে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো ৬ দেশের ফুটসাল টুর্নামেন্ট

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিদের নেতৃত্বে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো ৬ দেশের ফুটসাল টুর্নামেন্ট

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

মালয়েশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ‘ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার’ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ইউপিএমআইএসএ) এর উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে ‘ইউপিএমআইএসএ ফুটসাল টুর্নামেন্ট ২০২৬’।

Manual6 Ad Code

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সেরডাংয়ের গেলানগাং কেএমআর ফুটসাল মাঠে আয়োজিত টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লিবিয়ার কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ফুটসাল টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন লিবিয়া।

Manual7 Ad Code

মাঠের খেলার পাশাপাশি এবারের আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশিদের নেতৃত্ব। এবারের টুর্নামেন্টটি ইউপিএমআইএসএ-এর ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি নারী প্রেসিডেন্ট আদিবা আহমেদের সরাসরি নেতৃত্বে এই টুর্নামেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ছয়টি দেশের অংশগ্রহণে এমন একটি আয়োজন সফল করা প্রবাসে বাংলাদেশিদের জন্য বড় একটি অর্জন ও গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশসহ মালয়েশিয়া, মরক্কো, লিবিয়া, নাইজেরিয়া ও পাকিস্তান— এই ছয়টি শক্তিশালী দল অংশ নেয়।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ফাইনালে লিবিয়ার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশকে ৩–০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে লিবিয়া। অন্যদিকে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রানার্স-আপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে মরক্কো।

Manual3 Ad Code

আন্তর্জাতিক এডুকেশন প্রতিষ্ঠান হাইপারকানেক্ট-এর টাইটেল স্পন্সরশিপে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিএমআইএসএ-এর উপদেষ্টা উবায়দুল্লাহ মোহাম্মদ বাদরি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিএম বাডিস কমিটির প্রেসিডেন্ট হারিনী বরথিহাসান, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া’র (বিএসওএম) সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালীব রাব্বি ও ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ রহমান ভূঁইয়া।

টুর্নামেন্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন স্পোর্টস সেক্রেটারি নুগরাহা রাইহান এবং আভাস হাসান মাহিন। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সাবলীলভাবে সঞ্চালনা করেন সামিরা সিরাজ। টুর্নামেন্ট শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। লিবিয়ার খেলোয়াড় আশরাফ ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উন্নত শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করাই ছিল এই টুর্নামেন্টের মূল লক্ষ্য। বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও নেতৃত্ব বিকাশে এই টুর্নামেন্ট বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code