স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার
মালয়েশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ‘ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার’ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ইউপিএমআইএসএ) এর উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে ‘ইউপিএমআইএসএ ফুটসাল টুর্নামেন্ট ২০২৬’।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সেরডাংয়ের গেলানগাং কেএমআর ফুটসাল মাঠে আয়োজিত টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লিবিয়ার কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ফুটসাল টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন লিবিয়া।
মাঠের খেলার পাশাপাশি এবারের আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশিদের নেতৃত্ব। এবারের টুর্নামেন্টটি ইউপিএমআইএসএ-এর ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি নারী প্রেসিডেন্ট আদিবা আহমেদের সরাসরি নেতৃত্বে এই টুর্নামেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
ছয়টি দেশের অংশগ্রহণে এমন একটি আয়োজন সফল করা প্রবাসে বাংলাদেশিদের জন্য বড় একটি অর্জন ও গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশসহ মালয়েশিয়া, মরক্কো, লিবিয়া, নাইজেরিয়া ও পাকিস্তান— এই ছয়টি শক্তিশালী দল অংশ নেয়।
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ফাইনালে লিবিয়ার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশকে ৩–০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে লিবিয়া। অন্যদিকে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রানার্স-আপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে মরক্কো।
আন্তর্জাতিক এডুকেশন প্রতিষ্ঠান হাইপারকানেক্ট-এর টাইটেল স্পন্সরশিপে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিএমআইএসএ-এর উপদেষ্টা উবায়দুল্লাহ মোহাম্মদ বাদরি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিএম বাডিস কমিটির প্রেসিডেন্ট হারিনী বরথিহাসান, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া’র (বিএসওএম) সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালীব রাব্বি ও ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ রহমান ভূঁইয়া।
টুর্নামেন্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন স্পোর্টস সেক্রেটারি নুগরাহা রাইহান এবং আভাস হাসান মাহিন। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সাবলীলভাবে সঞ্চালনা করেন সামিরা সিরাজ। টুর্নামেন্ট শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। লিবিয়ার খেলোয়াড় আশরাফ ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ নির্বাচিত হন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উন্নত শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করাই ছিল এই টুর্নামেন্টের মূল লক্ষ্য। বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও নেতৃত্ব বিকাশে এই টুর্নামেন্ট বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
Sharing is caring!