৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নাইজার বিমানবন্দরে আইএসআইএলের হামলা ঠেকাতে সাহায্য করেছে রাশিয়া

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ণ
নাইজার বিমানবন্দরে আইএসআইএলের হামলা ঠেকাতে সাহায্য করেছে রাশিয়া

Manual2 Ad Code

নাইজার বিমানবন্দরে আইএসআইএলের হামলা ঠেকাতে সাহায্য করেছে রাশিয়া

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ গত সপ্তাহে নাইজারের রাজধানী নিয়ামের প্রধান বিমানবন্দরে আইএসআইএল সশস্ত্র গোষ্ঠীর চালানো হামলা প্রতিহত করতে রাশিয়ান সৈন্যরা সহায়তা করেছে বলে মস্কোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আফ্রিকান কর্পস এবং নাইজেরিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় আক্রমণটি প্রতিহত করা হয়।

Manual4 Ad Code

নাইজারের শাসক সামরিক বাহিনী এর আগে বলেছিল, রাশিয়ান অংশীদাররা রাজধানীতে আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করেছে, যেখানে একজন ফরাসি নাগরিকসহ ২০ জন আক্রমণকারী নিহত এবং চারজন সেনা আহত হন। নাইজারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, কমপক্ষে ১১ জন যোদ্ধাকেও আটক করা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

এদিকে, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস অনুসারে, মস্কো এই সর্বশেষ চরমপন্থি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে এটি জানানো হয়। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মালির রাজধানীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একই ধরনের হামলা হয়েছিল। সেখানেও প্রশিক্ষক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে বহিরাগত শক্তি জড়িত ছিল বলে জানা গেছে।

নাইজারের সামরিক প্রধান, আবদুরাহমানে তচিয়ানি, বিমানবন্দর রক্ষায় রাশিয়ান বাহিনীর উচ্চ স্তরের পেশাদারিত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে নিয়ামে রাশিয়ান সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন বলেও জানা গেছে।২৮ জানুয়ারী রাতে নিয়ামের কাছে ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক এবং সমন্বিত হামলার দায় স্বীকার করে আইএসআইএল গোষ্ঠী।

আইএসআইএল-অনুমোদিত সংবাদমাধ্যম ‘আমাকের’ মাধ্যমে অনলাইনে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েক ডজন হামলাকারী অ্যাসল্ট রাইফেল হাতে একটি বিমানের হ্যাঙ্গারের কাছে গুলি চালাচ্ছে এবং মোটরবাইকে করে রওনা হওয়ার আগে একটি বিমানে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে।

এদিকে, নাইজারের সামরিক বাহিনী প্রাথমিকভাবে বেনিন, ফ্রান্স এবং আইভরি কোস্টকে বিমানবন্দরে হামলার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য অভিযুক্ত করেছিল, যেখানে একটি সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। তবে সামরিক বাহিনী তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ সরবরাহ করেনি।

Manual7 Ad Code

আইভরি কোস্টের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং নাইজারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদ জানিয়েছে। বেনিনও এই দাবি অস্বীকার করেছে। ফ্রান্স এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code