৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

ভুলে তৈরি ভাইরাল খেলনা: চীনা নববর্ষের আগে আলোচনায় ‘কান্নারত ঘোড়া

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ণ
ভুলে তৈরি ভাইরাল খেলনা: চীনা নববর্ষের আগে আলোচনায় ‘কান্নারত ঘোড়া

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

চীনের ইওউ শহরে এক কারখানার ভুলেই জন্ম নিয়েছে বছরের ভাইরাল খেলনা। হাসিমুখের বদলে উল্টো সেলাইয়ে তৈরি হয়েছে ‘কান্নারত ঘোড়া’। চীনা নববর্ষে এই খেলনাই এখন তরুণ কর্মজীবীদের আবেগের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

Manual4 Ad Code

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ইয়ুতে অবস্থিত ইয়ু ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সিটিতে ভাইরাল খেলনা ‘কান্নারত ঘোড়া’ প্রদর্শন করা হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ইওউ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সিটিতে চীনা নববর্ষের আগে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। লাল রঙের একটি প্লাশ ঘোড়া সবার নজর কাড়ছে। নিচের দিকে ঝুলে থাকা মুখ আর বিষণ্ন চোখের কারণে অনলাইনে নাম পেয়েছে ‘ক্রাইং হর্স’ বা কান্নারত ঘোড়া।

লাল রঙের এই খেলনাটি নববর্ষ উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল। তবে কারখানার এক শ্রমিক ভুল করে ঘোড়ার মুখ উল্টো দিকে সেলাই করেন। দোকান মালিক ঝাং হুওচিং প্রথমে খেলনাটি ফেরত নিতে চাইলেও পরে সেটিই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।

ঝাং হুওকিং বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি অবাক হয়েছি। আমার কাছে এটা দেখতে সুন্দর না। তরুণরা হয়তো এটা পছন্দ করে। আমাদের ভাবনাও এখন ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বদলাতে হচ্ছে।’ তিনি জানান, ত্রুটিটি আবিষ্কার করার পর তিনি ক্রেতাদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রাহক কখনও খেলনাটি ফেরত দেননি।

কিছুক্ষণ পরেই তিনি অনলাইনে এর ছবি দেখতে পান। সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয় এই কান্নার ঘোড়া। অনেক তরুণ বলেন, অফিসে কাজের সময় তাদের মুখ এমনই থাকে। আর কাজ শেষে তারা হয়ে ওঠেন হাসিমুখের ঘোড়া। চাহিদা বাড়তে থাকায় দোকান কর্তৃপক্ষ কান্নার ঘোড়ার উৎপাদন চালু রাখে।

Manual1 Ad Code

বিক্রেতাদের মতে, খেলনাটি আধুনিক কর্মজীবী মানুষের মানসিক চাপের প্রতিচ্ছবি। যদিও সব বিক্রেতা এর সৌন্দর্য পছন্দ করছেন না। তবুও ক্রেতার চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদন চলছেই। চীনা রাশিচক্রে ঘোড়ার বছরে এই খেলনাই এখন সবচেয়ে আলোচিত।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code