২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভুলে তৈরি ভাইরাল খেলনা: চীনা নববর্ষের আগে আলোচনায় ‘কান্নারত ঘোড়া

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ণ
ভুলে তৈরি ভাইরাল খেলনা: চীনা নববর্ষের আগে আলোচনায় ‘কান্নারত ঘোড়া

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

চীনের ইওউ শহরে এক কারখানার ভুলেই জন্ম নিয়েছে বছরের ভাইরাল খেলনা। হাসিমুখের বদলে উল্টো সেলাইয়ে তৈরি হয়েছে ‘কান্নারত ঘোড়া’। চীনা নববর্ষে এই খেলনাই এখন তরুণ কর্মজীবীদের আবেগের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

Manual4 Ad Code

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ইয়ুতে অবস্থিত ইয়ু ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সিটিতে ভাইরাল খেলনা ‘কান্নারত ঘোড়া’ প্রদর্শন করা হচ্ছে।

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ইওউ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সিটিতে চীনা নববর্ষের আগে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। লাল রঙের একটি প্লাশ ঘোড়া সবার নজর কাড়ছে। নিচের দিকে ঝুলে থাকা মুখ আর বিষণ্ন চোখের কারণে অনলাইনে নাম পেয়েছে ‘ক্রাইং হর্স’ বা কান্নারত ঘোড়া।

Manual6 Ad Code

লাল রঙের এই খেলনাটি নববর্ষ উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল। তবে কারখানার এক শ্রমিক ভুল করে ঘোড়ার মুখ উল্টো দিকে সেলাই করেন। দোকান মালিক ঝাং হুওচিং প্রথমে খেলনাটি ফেরত নিতে চাইলেও পরে সেটিই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।

Manual4 Ad Code

ঝাং হুওকিং বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি অবাক হয়েছি। আমার কাছে এটা দেখতে সুন্দর না। তরুণরা হয়তো এটা পছন্দ করে। আমাদের ভাবনাও এখন ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বদলাতে হচ্ছে।’ তিনি জানান, ত্রুটিটি আবিষ্কার করার পর তিনি ক্রেতাদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রাহক কখনও খেলনাটি ফেরত দেননি।

কিছুক্ষণ পরেই তিনি অনলাইনে এর ছবি দেখতে পান। সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয় এই কান্নার ঘোড়া। অনেক তরুণ বলেন, অফিসে কাজের সময় তাদের মুখ এমনই থাকে। আর কাজ শেষে তারা হয়ে ওঠেন হাসিমুখের ঘোড়া। চাহিদা বাড়তে থাকায় দোকান কর্তৃপক্ষ কান্নার ঘোড়ার উৎপাদন চালু রাখে।

বিক্রেতাদের মতে, খেলনাটি আধুনিক কর্মজীবী মানুষের মানসিক চাপের প্রতিচ্ছবি। যদিও সব বিক্রেতা এর সৌন্দর্য পছন্দ করছেন না। তবুও ক্রেতার চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদন চলছেই। চীনা রাশিচক্রে ঘোড়ার বছরে এই খেলনাই এখন সবচেয়ে আলোচিত।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code