৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

পুলিশকে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবকের কারাদণ্ড

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ণ
পুলিশকে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবকের কারাদণ্ড

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ার পাহাং অঙ্গরাজ্যে কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্যকে ঘুষ দেয়ার অভিযোগে মোবারক ইসলাম (২৭) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) কুয়ান্তান সেশন কোর্টের বিচারক সাজলিনা সাফি এই রায় ঘোষণা করেন।

Manual4 Ad Code

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাত ৮টা ২০ মিনিটে ক্যামেরন হাইল্যান্ডসের ব্রিঞ্চাং থানা এলাকার একটি সবজি গুদামের সামনে নিয়মিত তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ।

Manual1 Ad Code

মোবারক ইসলাম মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় টহল পুলিশ তাকে থামায়। তল্লাশিকালে মোবারক তার বৈধ ভিসা দেখাতে পারলেও কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে পারেননি।

Manual8 Ad Code

লাইসেন্স না থাকায় পুলিশ সদস্য যখন তাকে আইন অনুযায়ী জরিমানা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন মোবারক বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ১০০ রিঙ্গিত (মালয়েশীয় মুদ্রা) ঘুষ দেয়ার প্রস্তাব করেন।

Manual3 Ad Code

আদালতে উপস্থাপিত তথ্যে জানা যায়, কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য তাকে তিনবার সতর্ক করার পরও মোবারক জোরপূর্বক ঘুষ দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান। এর প্রেক্ষিতে তাকে তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করা হয় এবং বিষয়টি মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের নজরে আনা হয়।আদালতে দণ্ডবিধির ২১৪ ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

শুনানির সময় দোভাষীর সহায়তায় মোবারক নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং লঘুদণ্ডের আবেদন জানিয়ে বলেন, তিনি সম্প্রতি বিবাহ করেছেন এবং মালয়েশিয়ায় তার দেখাশোনা করার মতো কোনো স্বজন নেই।

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রসিকিউটর এজুয়াইন ফারহানা আহমেদ শুনানিতে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়া এবং ঘুষের মাধ্যমে আইন অবমাননার প্রবণতা রোধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন।উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক মোবারককে দুই মাসের কারাদণ্ড দেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, সাজা ঘোষণার দিন (৭ জানুয়ারি) থেকেই এই কারাদণ্ড কার্যকর হবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code