৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ঘাটাইলে গভীর রাতে ভয়াবহ ডাকাতি: পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
ঘাটাইলে গভীর রাতে ভয়াবহ ডাকাতি: পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট

Manual7 Ad Code

ঘাটাইলে গভীর রাতে ভয়াবহ ডাকাতি: পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট

 

Manual6 Ad Code

আল আমীন, স্টাফ রিপোর্টার: টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের ছামনা গ্রামে গভীর রাতে এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত পুলিশ পরিচয়ে জনাব মোঃ রফিক মাস্টারের বাড়িতে প্রবেশ করে। প্রথমে তারা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বাধ্য করে।

Manual6 Ad Code

ভুক্তভোগী মোঃ রফিক একজন শিক্ষক, তিনি ফুলবাড়ি মানাজী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। তার স্ত্রীও একজন শিক্ষিকা, তিনি ডাবৈরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন।

বাড়িতে প্রবেশের পর সশস্ত্র ডাকাতরা পরিবারের সকল সদস্যকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এ সময় ডাকাতরা রফিক মাস্টারের স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে।পাশাপাশি তাদের দুই সন্তানকেও মারধর করে আহত করা হয়।
এরপর ডাকাতরা ঘরের আলমারি ভেঙে নগদ টাকা,স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নেয়। এছাড়া রফিক সাহেবের স্ত্রীর পরিহিত স্বর্ণের কানের দুল ও হাতের বালা খুলে নিয়ে যায় এবং বাড়িতে থাকা মোবাইল ফোনগুলোও লুট করে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, ডাকাতরা দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে তাণ্ডব চালায় এবং পুরো সময়জুড়ে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে অদ্য সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

Manual3 Ad Code

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঘাটাইল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code