২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

এনপিএলে আলো ছড়ানো মল্লাকে নিয়ে নেপালের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ণ
এনপিএলে আলো ছড়ানো মল্লাকে নিয়ে নেপালের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নেপালের ঘোষিত ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন অফস্পিনার শের মল্লা। নেপালের স্কোয়াডে আরও ডাক পেয়েছেন অলরাউন্ডার বশির আহমেদ। তবে গত বছর অক্টোবরে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলা কুশল মল্লা দল থেকে বাদ পড়েছেন।

Manual5 Ad Code

নেপাল প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করায় নেপালের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন শের মল্লা।

Manual4 Ad Code

টানা দ্বিতীয়বারের মতো নেপালকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেপালকে নেতৃত্ব দেবেন টপ অর্ডার ব্যাটার রোহিত পাউডেল। তার সহকারী হিসেবে থাকবেন অলরাউন্ডার দীপেন্দ্র সিং আইরি।

কিছুদিন আগে শেষ হওয়া নেপাল প্রিমিয়ার লিগে (এনপিএল) দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে বিশ্বকাপের দলে ডাক পেয়েছেন শের মল্লা। ওই টুর্নামেন্টে তিনি ১০ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন, ইকোনমি ছিল মাত্র ৬.৫০। লুম্বিনি লায়ন্সকে শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি তিনি টুর্নামেন্টের ইমার্জিং প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কারও জিতেছেন।

নেপাল স্কোয়াডে টপ-অর্ডার ব্যাটার ও কার্যকর অলরাউন্ডারদের ভালো সমন্বয় রয়েছে। বোলিং আক্রমণের মূল ভরসা লেগস্পিনার সন্দীপ লামিচানে। স্পিন আক্রমণে তার সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ললিত রাজবংশী, শের মল্লা ও দীপেন্দ্র সিং আইরি। পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন করণ কেসি, তার সঙ্গে থাকবেন নন্দন যাদব, সোমপাল কামি ও অলরাউন্ডার গুলশন ঝা। ১৫ সদস্যের এই স্কোয়াডে অলরাউন্ডারদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ২৩ বছর বয়সী রোহিত পাউডেল। ওপেনিংয়ে আক্রমণাত্মক কুশল ভুর্তেল থাকবেন, আর ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার দায়িত্বে থাকবেন আসিফ শেখ। শেষের দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবেন গুলশন ঝা ও দীপেন্দ্র সিং আইরি।

২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেপাল চারটি ম্যাচ খেলেছিল। যদিও তারা কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি, তবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের লড়াকু পারফরম্যান্স নজর কাড়ে। ২০২৬ বিশ্বকাপে নেপালের অভিযান শুরু হবে ৮ ফেব্রুয়ারি, মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচই তারা এই ভেন্যুতে খেলবে।

২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নেপাল স্কোয়াড:

Manual2 Ad Code

রোহিত পাউডেল (অধিনায়ক), দীপেন্দ্র সিং আইরি (সহ-অধিনায়ক), সন্দীপ লামিচানে, কুশল ভুর্তেল, আসিফ শেখ, সন্দীপ জোরা, আরিফ শেখ, বাসির আহমাদ, সোমপাল কামি, করণ কেসি, নন্দন যাদব, গুলশন ঝা, ললিত রাজবংশী, শের মল্লা, লোকেশ বাম।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code