৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

১৮ মাস পর বার্সেলোনায় ফিরছেন কান্সেলো

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ণ
১৮ মাস পর বার্সেলোনায় ফিরছেন কান্সেলো

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

১৮ মাস পর বার্সেলোনা আবারও জোয়াও কান্সেলোকে দলে ফেরানোর চুক্তি চূড়ান্ত করেছে, যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি। সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল থেকে ধারে কাতালান ক্লাবটিতে ফিরছেন এই পর্তুগিজ ফুলব্যাক।

আল হিলাল থেকে ধারে বার্সেলোনায় ফিরছেন জোয়াও কান্সেলো।

Manual6 Ad Code

৩১ বছর বয়সী কান্সেলো ২০২৩-২৪ মৌসুমে এক বছরের জন্য ধারে বার্সেলোনায় খেলেছিলেন। এরপর তিনি তার সাবেক ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে ফিরে যান। সেই গ্রীষ্মেই ধারণা করা হচ্ছিল যে তিনি আবার কাতালুনিয়ায় ফিরতে আগ্রহী, কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে বার্সেলোনা অন্য বিকল্পের দিকে যায় এবং কান্সেলো ২৫ মিলিয় ইউরোতে আল-হিলালে পাড়ি জমান। এমডি ও মাত্তেও মোরেত্তোসহ একাধিক গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে তিন পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়ে গেছে।

আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন এপ্রিল পর্যন্ত ছিটকে যাওয়ায় জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে শক্তি বাড়াতে চাচ্ছিল বার্সেলোনা। লা লিগার নিয়ম অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি চোটের ক্ষেত্রে কোনো ক্লাব চোটগ্রস্ত খেলোয়াড়ের বেতনের সীমার ৮০% ব্যবহার করে নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে পারে।

মোরেত্তোর মতে, এই অঙ্কটি প্রায় ৫ মিলিয়ন ইউরো, যা কান্সেলোর ৭.৫ মিলিয়ন ইউরো বেতনের দ্বিতীয়ার্ধের দুই-তৃতীয়াংশ পরিশোধে ব্যবহার করা হবে। স্প্যানিশ সুপার কাপ শেষে সৌদি আরব থেকে ফেরার পরই এই পর্তুগিজ বার্সার হয়ে খেলতে পারবেন।

Manual5 Ad Code

এর ফলে হান্সি ফ্লিকের জন্য কান্সেলোই সম্ভবত একমাত্র নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে। শুরুতে এই পর্তুগিজকে দলে নেওয়ার বিপক্ষে ছিলেন ফ্লিক; তিনি বরং একজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার চাচ্ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে তিনি সবুজ সংকেত দিয়েছেন।

Manual3 Ad Code

কান্সেলো দলে যোগ দেওয়ার ফলে ফুল-ব্যাক পজিশনে জুলস কুন্দে ও আলেহান্দ্রো বালদের জন্য বাড়তি কভার পাবেন ফ্লিক।

কুন্দেকে প্রয়োজনে সেন্ট্রাল ডিফেন্সেও ব্যবহার করা যেতে পারে, আর মিডফিল্ড থেকে পেছনে নেমে আসার বিকল্প হিসেবে আছেন এরিক গার্সিয়া। তবে মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে দুটি সেন্ট্রাল ডিফেন্সের জায়গার জন্য জেরার্দ মার্টিন, পাউ কুবাসি ও রোনাল্ড আরাউহোই ফেভারিট থাকবেন।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code