২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

পিএসএলের নিলাম ১১ ফেব্রুয়ারি, যেসব নিয়ম মানতে হবে

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ণ
পিএসএলের নিলাম ১১ ফেব্রুয়ারি, যেসব নিয়ম মানতে হবে

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরের খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিএসএল জানিয়েছে, নিলামে খেলোয়াড়দের ক্রয়বিক্রয় হবে পাকিস্তানি রুপিতে (পিকেআর)।

Manual5 Ad Code

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত হবে পিএসএলে।

শীর্ষ ক্যাটাগরির (টপ ব্র্যাকেট) জন্য ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি (প্রায় ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা)। অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য যথাক্রমে ২২ মিলিয়ন পিকেআর (প্রায় ৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা), ১১ মিলিয়ন পিকেআর (প্রায় ৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা) এবং ৬ মিলিয়ন পিকেআর (প্রায় ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা)।

তবে ঘোষণায় নিলামের ভেন্যুর নাম উল্লেখ করা হয়নি। গত সপ্তাহে পিসিবি জানিয়েছিল, পিএসএল তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ড্রাফট পদ্ধতি বাদ দিয়ে নিলাম পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে।

Manual8 Ad Code

একই সঙ্গে লিগে যুক্ত হওয়া দুই নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হায়দরাবাদ ও শিয়ালকোটকে বিবেচনায় রেখে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এর আগে পিএসএল জানিয়েছিল, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের বিদ্যমান স্কোয়াড থেকে চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে–প্লাটিনাম, ডায়মন্ড, গোল্ড ও সিলভার–প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে একজন করে। তবে খেলোয়াড়দের কোন ক্যাটাগরিতে রাখা হবে, তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

Manual8 Ad Code

প্রতিটি দল ১৬ থেকে ২০ জন খেলোয়াড় নিয়ে স্কোয়াড গঠন করতে পারবে, যার মধ্যে ৫ থেকে ৭ জন বিদেশি খেলোয়াড় থাকতে পারবেন।

চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর খেলোয়াড়রা নিজ নিজ ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে থাকবেন, এই শর্ত রিটেইন করা খেলোয়াড় ও নিলামে কেনা খেলোয়াড় উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। পাশাপাশি প্রতিটি দলকে অবশ্যই ২৩ বছরের কম বয়সী এক স্থানীয় খেলোয়াড় খেলাতে হবে, যিনি আগে কখনো পিএসএলে খেলেননি।

Manual1 Ad Code

নিলামের বাইরে, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে একজন বিদেশি খেলোয়াড় সরাসরি চুক্তিতে নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নিলাম বাজেট ৪৫০ মিলিয়ন পিকেআর, যা সরাসরি সাইনিংয়ের জন্য বাড়িয়ে ৫০৫ মিলিয়ন পিকেআর পর্যন্ত করা যেতে পারে।

এই বিবৃতি রবিবার প্রকাশ করা হয়, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি, পিএসএল সিইও সালমান নাসের, আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধি এবং কয়েকজন পাকিস্তানি খেলোয়াড়ের সঙ্গে এক বিস্তারিত কর্মশালার পর।

নাকভি বলেন, ‘আজ ফ্র্যাঞ্চাইজি, খেলোয়াড় ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে একটি পরামর্শমূলক ও ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যভিত্তিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এগুলো পিএসএলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ তৈরি করবে।

খেলোয়াড় নিলাম মডেল পিএসএলের জন্য একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ—এর মাধ্যমে খেলোয়াড়রা বাড়তি আর্থিক সুযোগ পাবেন, প্রক্রিয়া হবে স্বচ্ছ, আর লিগ হবে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও আকর্ষণীয়।’

এছাড়া, পিএসএল মুলতান সুলতানস ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্যও একটি নিলাম আয়োজন করবে, যাদের বর্তমানে কোনো মালিক নেই।

সম্ভাব্য নতুন মালিকদের জন্য কারিগরি বিড জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ জানুয়ারি। খেলোয়াড় নিলামের আগেই কোনো এক সময় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকানা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code