৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে আশা জাগিয়েও জিততে পারলো না লিভারপুল

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে আশা জাগিয়েও জিততে পারলো না লিভারপুল

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

উত্তেজনা আর রোমাঞ্চ ছড়ালো ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে। শুরুতে পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে জয়ের সম্ভাবনা জাগাল লিভারপুল, তবে শেষ মুহূর্তে অলরেডদের সেই আশায় গুড়েবালি।

রোববার (৪ জানুয়ারি) প্রতিপক্ষের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারালো তারা।
ফুলহ্যামের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করলো লিভারপুল।

Manual2 Ad Code

হ্যারি উইলসনের গোলে শুরুতেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। পরে সফরকারীদের সমতায় ফেরান ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎস। যোগ করা সময়ে হাকপোর গোলে এগিয়েও যায় তারা। তার তিন মিনিট পর সমতা টানেন হ্যারিসন রিড।

গত বছরের শেষদিকে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছিল লিভারপুল। প্রিমিয়ার লিগে টানা তিনটিসহ সব মিলিয়ে টানা চার ম্যাচ জিতে বছর শেষ করে তারা। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম দিনে ঘরের মাঠে ড্র করে লিডস ইউনাইটেডের সঙ্গে। এবার পয়েন্ট টেবিলের নিচের সারির দলের বিপক্ষে আবারও হোঁচট খেল তারা।

২০ ম্যাচে ১০ জয় ও ৪ ড্রয়ে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে লিভারপুল। ২৮ পয়েন্ট নিয়ে ১১ নম্বরে ফুলহ্যাম।

ম্যাচের শুরুর দিকেই পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। রাউল হিমেনেসের চমৎকার এক ওয়ানটাচ পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে আলিসনকে পরাস্ত করেন হ্যারি উইলসন। প্রথমে লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তুললেও, ভিএআরের সাহায্যে পরে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি।

Manual2 Ad Code

৫৭তম মিনিটে কনর ব্র্যাডলির পাস ধরে সমতা টানেন ভিয়েৎস। বল পায়ে দারুণ নৈপুণ্যে ড্রিবলিং করে এগিয়ে, ডি-বক্সে কয়েকজনের মধ্যে থেকে ছোট পাস বাড়ান ব্র্যাডলি আর প্রথম ছোঁয়ার শটে বল জালে পাঠান জার্মান মিডফিল্ডার।

Manual5 Ad Code

যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে ডান দিক থেকে সতীর্থের ক্রসে প্রতিপক্ষের পায়ে লেহে বল চলে যায় হাকপোর কাছে। পরে সহজেই ডান পায়ের শটে বল লক্ষ্যে পাঠান তিনি।

যদিও তাদের ওই আনন্দ স্থায়ী হয় কিছুক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে বুলেট গতির শটে দূরের পোস্টের ওপরের কোণা দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন ইংলিশ মিডফিল্ডার রিড। আর তাতেই ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code