২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

রোনালদো শুধু কিংবদন্তি নন, বড় হৃদয়ের মানুষও

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ণ
রোনালদো শুধু কিংবদন্তি নন, বড় হৃদয়ের মানুষও

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো শুধু একজন কিংবদন্তি ফুটবলারই নন, তিনি অনেক বড় হৃদয়ের অধিকারীও। যে সব সময় অন্যদের সাহায্য করে থাকে।

এমন মন্তব্য করেছেন তার সাবেক ক্লাব সতীর্থ লুকা মদ্রিচ। তবে মেসি-রোনালদোর মাঝে কে সেরা? এই প্রশ্নে কোনো নির্দিষ্ট একজনকে বেছে নেয়ার বদলে দুইজনকেই সমান মার্কিং করেছেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার।

রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘ সময়ের সতীর্থ ছিলেন রোনালদো-মদ্রিচ।

মেসি রোনালদোর শ্রেষ্ঠত্ব আপেক্ষিক। একেকজনের চোখে একেকজন সেরা। তাই এই বিতর্ক অনেকটা ছোট গল্পের সংজ্ঞার মতোই। তবুও যারা খুব কাছ থেকে দেখেছেন, তাদের ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন নিজেদের মতো করে।

অনেকের মতে কাতার বিশ্বকাপ জিতে এই তর্কে দাঁড়ি টেনেছেন মেসি! যদিও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নিজেই স্বীকার করেন না তা।

সেরার বিতর্কে পর্তুগিজ মহাতরকা সব সময়ই নিজেকে এগিয়ে রেখেছেন মেসির চেয়ে। তার তুলনাটা কেবল ফুটবল কেন্দ্রিক। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদে তার লম্বা সময়ের সতীর্থ লুকা মদ্রিচ এবার সিআরসেভেনকে নিয়ে এমন এক তথ্য দিয়েছেন, যা কখনোই নিজে প্রকাশ করেননি রোনালদো।

Manual2 Ad Code

মদ্রিচ বলেন, ‘এটা এমন এক প্রশ্ন, যেটা আমি পছন্দ করি না। তারা দুজনই একটা নির্দিষ্ট সময় প্রতিনিধিত্ব করেছে। ক্রিস্টিয়ানোর প্রতি আমার টানটা একটু বেশি, কারণ আমি তার সঙ্গে খেলেছি। রিয়াল মাদ্রিদে সে আমার সতীর্থ ছিল।

আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, সে শুধু একজন দারুণ ফুটবলারই নয়, একজন অসাধারণ মানুষও। অনেকেই এই বিষয়টা জানে না। কিন্তু তার হৃদয়টা বিশাল, সবসময় অন্যদের সাহায্য করতে প্রস্তুত। সে খুবই সহজ-সরল, সাধারণ একজন মানুষ।’

রোনালদোর সঙ্গে মদ্রিচের খেলা হলেও, কখনোই মেসিকে সতীর্থ হিসেবে পাননি তিনি। বরং স্পেনে থাকার সময় সব সময়ই খেলেছেন প্রতিপক্ষ হিসেবে। এছাড়াও গেলো দুটো বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়ে হারের তিক্তা আছে দু’জনেরই। যদিও সেরা ফুটবলার বেছে নিতে সেসব অতীত নিয়ে ঘাটতে নারাজ ক্রোয়াট অধিনায়ক।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, ‘মানুষ হিসেবে মেসিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তবে আমার কোনো সন্দেহ নেই সেও অসাধারণ একজন মানুষ। আর খেলোয়াড় হিসেবে সে দুর্দান্ত। আমাদের হয়তো এক দলে খেলা হয়নি। কিন্তু সে এমন কিছু অর্জন করেছে যা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’

Manual7 Ad Code

আরও একটা বিশ্বকাপ চলে আসছে দোরগোড়ায়। এটাই যে মেসি এবং রোনালদোর শেষ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কে সেরা এই বিতর্কে সময় নষ্ট না করে ফুটবল পায়ে বিশ্বমঞ্চে তাদের শেষ নৈপুণ্য দেখার অপেক্ষায় ভক্তরা।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code