২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সিরিয়ায় আইএসের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৩:৪৩ অপরাহ্ণ
সিরিয়ায় আইএসের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

সিরিয়ায় অভিযানের সময় আইএসের (ইসলামিক স্টেটের) হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক মার্কিন বেসামরিক দোভাষী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিন মার্কিন সেনা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর পালমিরার কাছে মার্কিন ও সিরীয় বাহিনীর একটি যৌথ মিশনে এই ঘটনা ঘটে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আইএসবিরোধী অভিযানে সিরিয়াও অংশ নেবে, গত নভেম্বর দুই দেশের মধ্যে এরকম একটি চুক্তি স্বাক্ষরের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই ঘটনা ঘটল।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানান, সেনারা তখন স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। তখনই আইএসের এক বন্দুকধারী আচমকা হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন হামলাকারী। নিহতদের নাম ও ইউনিটের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

Manual8 Ad Code

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, এই ঘটনায় সিরীয় নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যও আহত হন। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, যারা বিশ্বের যেকোনো জায়গায় মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করবে, তাদের পরিণতি ভয়াবহ হবে।

স্থানীয় তিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, হামলাকারী সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য ছিল। তবে সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ওই ব্যক্তি নিরাপত্তা বাহিনীতে কোনো নেতৃত্বস্থানীয় পদে ছিলেন না।

Manual4 Ad Code

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নুরেদ্দিন আল-বাবা আল-ইখবারিয়া টিভিকে বলেন, ১০ ডিসেম্বর একটি মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, এই ব্যক্তির মধ্যে চরমপন্থি চিন্তাধারা থাকতে পারে। এ বিষয়ে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) একটি সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ছিল।

Manual1 Ad Code

এদিকে সিরিয়ায় মার্কিন সেনা হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে এ ঘটনার ‘কঠোর প্রতিশোধের’ হুঁশিয়ারি করেন এবং নিহতদের ‘তিনজন মহান দেশপ্রেমিক’ হিসেবে আখ্যা দেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ হামলা বলে উল্লেখ করেন।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code