২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

রাফিনহার জোড়া গোলে বার্সেলোনার সহজ জয়

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৩:৪৭ অপরাহ্ণ
রাফিনহার জোড়া গোলে বার্সেলোনার সহজ জয়

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে বার্সেলোনা। লা লিগায় শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ওসাসুনার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পায় তারা। জোড়া গোল করেছেন রাফিনহা।
ওসাসুনার বিপক্ষে প্রায় ৮০ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ২৪টি শট নিয়ে সাতটি লক্ষ্যে রাখতে পারে বার্সেলোনা। সফরকারীদের তিন শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।

Manual3 Ad Code

বার্সেলোনা শুরু থেকে বল দখলে আধিপত্য করলেও, ২০তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়ে যায় ওসাসুনা। বুদিমিরের শট ঠেকিয়ে জাল অক্ষত রাখেন গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া।
প্রথম হাফে তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বার্সেলোনা। ফলে গোলশূন্য শেষ হয় প্রথমার্ধ।

Manual6 Ad Code

৭০তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্বাগতিকরা। মাঝমাঠ থেকে পেদ্রি বল ধরে এগিয়ে গিয়ে পাস দেন রাফিনহাকে। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরাল শটে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে জালে পাঠান ২৮ বছর বয়সি তারকা।

Manual5 Ad Code

নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে নিজের দ্বিতীয় গোলে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন রাফিনহা। ইয়ামালের পাস বক্সে পেয়ে ক্রস বাড়ান ডিফেন্ডার জুল কুন্দে। ওসাসুনার এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে যাওয়া বল দূরের পোস্টে ভলিতে ফাঁকা জালে পাঠান বার্সেলোনা অধিনায়ক।

১৭ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল বার্সা। এক ম্যাচ কম খেলে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code