৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইসলামিক প্রচারক তারিক আল-সুওয়াইদানের নাগরিকত্ব বাতিল করল কুয়েত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১২, ২০২৫, ০৩:১৪ অপরাহ্ণ
ইসলামিক প্রচারক তারিক আল-সুওয়াইদানের নাগরিকত্ব বাতিল করল কুয়েত

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্ট

বিশিষ্ট ইসলামিক প্রচারক তারিক আল-সুওয়াইদানসহ ২৪ জনের নাগরিকত্ব বাতিল কুয়েত টুডে’র সরকারি গেজেটে প্রকাশিত এক ডিক্রির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালের ২২৭ নং ডিক্রিতে বলা হয়েছে যে ‘তারিক মুহাম্মদ সালেহ আল-সুওয়াইদান এবং যারা তার ওপর নির্ভরশীলতার মাধ্যমে এটি (নাগরিকত্ব) অর্জন করেছিলেন তাদের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করা হলো।’

কুয়েতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুপারিশ এবং মন্ত্রী পরিষদের অনুমোদনের পর কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ এই আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। তবে, ডিক্রিতে আল-সুওয়াইদানের নাগরিকত্ব বাতিলের আইনি ভিত্তি স্পষ্ট করা হয়নি

Manual6 Ad Code

। কুয়েত সাধারণত দ্বৈত নাগরিকত্ব, জালিয়াতি, জাতীয় নিরাপত্তা বা ‘রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্বার্থ’ সম্পর্কিত বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করে।

কুয়েতি নাগরিকত্ব খতিয়ে দেখার জন্য উচ্চতর কমিটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিভিন্ন কারণে ৬০ হাজারেরও বেশি ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর

Manual5 Ad Code

। প্রতিবেদন অনুসারে, ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণকারী আল-সুওয়াইদানকে একজন ধর্মীয় পণ্ডিত হিসেবে নয় বরং মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে যুক্ত একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে বিবেচনা করা হয়।

Manual2 Ad Code

পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আল-সুওয়াইদান যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ প্রতিবেশী উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সমালোচনা করার জন্য তার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠেছে।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code