২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

হার দিয়ে নিজের রেসলিং ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন জন সিনা

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৩:৩৬ অপরাহ্ণ
হার দিয়ে নিজের রেসলিং ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন জন সিনা

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

ইতিহাসের সেরা রেসলারদের একজন জন সিনা। ২৩ বছরের ক্যারিয়ারে জিতেছেন সম্ভাব্য সকল বেল্ট। নিজের শেষ ম্যাচে অবশ্য হেরে গেলেন সিনা। ‘সাটারডে নাইট মাইন ইভেন্ট’ পে-পার ভিউতে সিনাকে হারান গুন্থার।

ডব্লিউডব্লিউই পে-পার ভিউয়ে সিনা লড়াই করেন গুন্থারের বিপক্ষে। হাড্ডাহাড্ডি এই ম্যাচে শেষ মুহূর্তে সিনাকে হারান গুন্থার। আর এতেই শেষ হলো সিনার রেসলিং ক্যারিয়ার। ম্যাচ হারলেও দর্শকরা সিনাকে সম্মান জানিয়েছে।

Manual6 Ad Code

ইতিহাসে নানা বেল্ট ও টুর্নামেন্ট জিতেছেন সিনা। গড়েছেন সর্বোচ্চ ডব্লিউডব্লিউই হ্যাভিওয়েট শিরোপা জেতার রেকর্ড। চলতি বছর কোডি রোডসকে হারিয়ে ১৭তম বার এই শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়েন সিনা। এছাড়াও, সম্ভাব্য সকল বেল্ট যেমন—ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়ন, ইউএস চ্যাম্পিয়ন, ওয়ার্ল্ড হ্যাভিওয়েট চ্যাম্পিয়নসহ আরও অনেক বেল্ট নিজের কাঁধে নিয়েছেন। জিতেছেন দুইবার রয়্যাল রাম্বালও।

এদিকে সিনার শেষ ম্যাচে তাকে সম্মান জানাতে রিংয়ে হাজির ছিলেন বর্তমান ও পূর্বের বেশকিছু রেসলার। এছাড়াও, জন সিনার সম্মানে অনেকেই ভিডিও বার্তাও পাঠিয়েছেন।

Manual3 Ad Code

শুধু রেসলারই নয়, সিনাকে সম্মান জানিয়েছে গুগোলও। তার অবসরের জন্য গুগোল তার ডুডলে সিনাল হাত যুক্ত করেছে। জন সিনা লিখে সার্চ করার পর সেই হাত দেখা যাবে। আর সেখানে ক্লিক করলেই পুরো পেইজটি অদৃশ্য হয়ে যাবে। যার অর্থ হচ্ছে, আজকের পর আর দেখা যাবে না সিনাকে।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code