২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জুবিন মৃত্যুর রহস্য জানাতে আদালতে ৪ ট্রাঙ্কে প্রমাণ, ৩৫০০ পাতার চার্জশিট!

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৩:৩৯ অপরাহ্ণ
জুবিন মৃত্যুর রহস্য জানাতে আদালতে ৪ ট্রাঙ্কে প্রমাণ, ৩৫০০ পাতার চার্জশিট!

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

মৃত্যুর তিন মাস পর প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গের অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ জানাতে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে আসাম পুলিশ। বিশেষ তদন্ত শেষে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে এ চার্জশিট জমা দেয়া হয়।
সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিংয়ে রহস্যময় মৃত্যু হয় জুবিন গর্গের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) আদালতে ৪ ট্রাঙ্ক ভর্তি প্রমাণসহ চার্জশিট জমা দেয়া হয়। ৪টি ট্রাঙ্কেই ছিল মামলা সংক্রান্ত সমস্ত প্রমাণ। তবে কড়া নিরাপত্তায় আনা ৪টি ট্রাঙ্কে প্রমাণ হিসেবে কী কী ছিল তা এখনও জানা যায়নি।

Manual7 Ad Code

গত ১৯ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ভারতীয় সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গ। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রথমে জানানো হয় সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তিনি মারা যান।

তবে সময় গড়াতেই সিআইডির তদন্তে বেরিয়ে আসে গায়কের মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়, সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আইনি প্রক্রিয়ায় প্রথমে ফৌজদারি ষড়যন্ত্র এবং অবহেলার কারণে মৃত্যু-এই দুই ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। পরে এতে যুক্ত হয় খুনের অভিযোগও।

Manual8 Ad Code

আসাম সরকার গায়কের মৃত্যুর তদন্তের জন্য ডিজিপি এমপি গুপ্তার নেতৃত্বে এসআইটি গঠন করে। এখন পর্যন্ত জুবিন হত্যা মামলায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এরা হলেন সিঙ্গাপুর উৎসবের আয়োজক শ্যামকানু মহন্ত, জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, জুবিনের চাচাতো ভাই ও আসাম পুলিশ সার্ভিসের অফিসার সন্দীপন গর্গ, ব্যান্ড সদস্য শেখর জ্যোতি গোস্বামী, ব্যান্ড সদস্য অমৃতপ্রভা মহন্ত, জুবিনের দুই ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী পরেশ বৈশ্য এবং নন্দেশ্বর বোরা।

৪০টিরও বেশি ভাষায় গান গাইতে পারতেন ভারতীয় এ সংগীতশিল্পী। শুধু গান নয়, বাদ্যযন্ত্র বাজাতেও পারদর্শী ছিলেন। তবলা থেকে শুরু করে গিটার, ড্রাম, হারমোনিয়াম, দোতারা, ঢোল, ম্যান্ডোলিন, হারমোনিয়াম-সহ ১২টি বাদ্যযন্ত্র বাজাতেন।

Manual7 Ad Code

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জুবিন ক্যারিয়ারে ২০,০০০ থেকেও বেশি গান গেয়েছেন। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ সিনেমার ‘ঢাকার পোলা’ , ‘কৃশ থ্রি’ সিনেমার ‘দিল তুহি বাতা’, ‘পরাণ যায় জলিয়ারে’ সিনেমার ‘চোখের জলে’, ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমার ‘ইয়া আলি’, ‘পাগলু টু’ সিনেমার ‘খুদা জানে’ ইত্যাদি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code