৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মানবাধিকার রক্ষায় আইন নয়, জরুরি প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবায়ন।

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১২, ২০২৫, ০৩:১২ অপরাহ্ণ
মানবাধিকার রক্ষায় আইন নয়, জরুরি প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবায়ন।

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

মানবাধিকার রক্ষায় শুধু আইন নয়, প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবায়নও জরুরি বলে অভিমত তিন উপদেষ্টার।

Manual7 Ad Code

রাজধানীতে মানবাধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে তারা বলেন, রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। তবে পুলিশ কমিশন সংস্কার করতে না পারাকে অন্যতম ব্যর্থতা হিসেবেও চিহ্নিত করেন তারা। প্রত্যাশা করেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে দেশ।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ‘সবার জন্য ন্যায়বিচার ও অগ্রাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি।

এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিন উপদেষ্টার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার ও সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের রাজনৈতিক বিভাগের প্রধান অ্যালবার্তো জিওভানতি বক্তব্য দেন।

তাদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত সংসদ নতুন মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন করে সাংবিধানিক ভিত্তি দেবে। কাগজে লেখা নীতি যথেষ্ট নয়-কার্যকর বাস্তবায়ন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর কেন্দ্রে রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংস্কারের নতুন অধ্যাদেশ।

Manual4 Ad Code

আমরা মনে করি, পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এই কমিশনের আইনি ভিত্তি দেবে। মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিতে সাম্প্রতিক যে আইনগত, নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার হয়েছে; সেগুলো পর্যালোচনা জরুরি

। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পথে বাংলাদেশের এই যাত্রায় মানবাধিকার-সম্মত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে দেশ।

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। বক্তারা বলেন, সরকার আইন করলেও প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবায়ন না হলে মানবাধিকার রক্ষা করা কঠিন।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code