২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জেদ্দায় উদ্বোধন হলো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ একক এক্সপো- ২০২৫

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১২, ২০২৫, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ণ
জেদ্দায় উদ্বোধন হলো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ একক এক্সপো- ২০২৫

unknow_soft

Manual4 Ad Code

সৌদিআরব : জেদ্দায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপো ২০২৫’। বাংলাদেশি পণ্য ও ট্যুরিজম খাতকে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে আরও পরিচিত করার লক্ষ্যেই জেদ্দায় এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

গতকাল ১১ই ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার বাণিজ্যিক নগরী জেদ্দার হোটেল রেডিসন ব্লোর এলিট হল রুমে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপো ২০২৫’। ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার কনসাল জেনারেল মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন।

Manual4 Ad Code

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, কনসাল (কনস্যুলার) এ এস এম সায়েম, কনসাল (হজ) আসলাম উদ্দিন, কাউন্সেলর (হজ) মোঃ কামরুল ইসলাম, কাউন্সেলর (শ্রম) মোঃ আরিফুজ্জামান, বাংলাদেশ থেকে আগত চিত্র নায়ক ওমর সানি, অভিনেতা নিরভ, অভিনেত্রী রিচি সুলাইমান ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম তিশাসহ কনস্যুলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ।

Manual1 Ad Code

কনসাল জেনারেল মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের অনেক সম্ভাবনাময় সেক্টর আছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার মতো শক্তিশালী এবং যা আমাদের গর্বিত করে। এ ধরনের প্রদর্শনী প্রবাসী উদ্যোক্তা, সৌদি ব্যবসায়ী এবং আমদানিকারকদের সঙ্গে আমাদের রপ্তানি খাতের সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।”

Manual8 Ad Code

কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা বলেন—মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বাড়ছে, এবং সৌদি ভিশন ২০৩০–এর সুযোগ কাজে লাগাতে হলে রপ্তানি প্রস্তুতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের পণ্যের মান, বৈচিত্র্য ও প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে পারলে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে আমাদের রপ্তানি বহুগুণে বাড়বে।

মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপোর আয়োজক এবং বাংলাদেশ গ্লোবাল ট্রেড প্রমোশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মোঃ লিটন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবং বাংলাদেশের পণ্য ও দক্ষতাসম্পন্ন সেবা খাতকে মধ্যপ্রাচ্যে আরও প্রচারের লক্ষ্যে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

এক্সপো শুরুর আগে ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বাণিজ্যিক কনফারেন্সে সৌদি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের গার্মেন্টস, খাদ্যপণ্য, হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন সেক্টরের সম্ভাবনার প্রশংসা করেন। তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ ও সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।

এবারের এক্সপোতে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছে টেক্সটাইলস, শিশুপণ্য, প্লাস্টিক খেলনা, খাদ্য ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হস্তশিল্প এবং হোটেল–হসপিটালিটি সেক্টরের প্রতিষ্ঠানসমূহ। প্রদর্শনীটি মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের ব্র্যান্ড ইমেজ আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

‘মেড ইন বাংলাদেশ এক্সপো ২০২৫’ আয়োজনে সহযোগিতায় রয়েছে জেদ্দা ভিশন ফর এক্সপো এন্ড কনফারেন্সেস । আয়োজকদের প্রত্যাশা—এই প্রদর্শনী মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code