৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চলছে আবেদন।

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চলছে আবেদন।

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ৮৭তম বিএমএ স্পেশাল (এএমসি) এবং ৭১তম বিএমএ স্পেশাল (এডিসি) কোর্সে ‘অফিসার ক্যাডেট’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
কোর্সের নাম: ৮৭তম বিএমএ স্পেশাল (এএমসি) এবং ৭১তম বিএমএ স্পেশাল (এডিসি) কোর্স

শাখার নাম: আর্মি মেডিকেল কোর, নারী-পুরুষ
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস ডিগ্রিধারী হতে হবে। বিএমএ যোগদানের পূর্বে অবশ্যই ইন্টার্নশিপ করতে হবে এবং ইন্টার্নশিপের সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৯ থাকতে হবে। তবে যে কোনো পরীক্ষায় ৪.৫০ এর কম থাকতে পারবেনা।

Manual5 Ad Code

শাখার নাম: আর্মি ডেন্টাল কোর, পুরুষ ও নারী
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিডিএস ডিগ্রিধারী হতে হবে। বিএমএ যোগদানের পূর্বে অবশ্যই ইন্টার্নশিপ করতে হবে এবং ইন্টার্নশিপের সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৯ থাকতে হবে। তবে যে কোনো পরীক্ষায় ৪.৫০ এর কম থাকতে পারবেনা।

শারীরিক যোগ্যতা: পুরুষের উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, বুকের মাপ ৩০-৩২ ইঞ্চি, ওজন ৫৭ কেজি। নারীর জন্য উচ্চতা ৫ ফুট, বুকের মাপ ২৮-৩০ ইঞ্চি, ওজন ৪৮ কেজি।
বয়স: ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সর্বোচ্চ ২৮ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

Manual1 Ad Code

জাতীয়তা: বাংলাদেশি
বৈবাহিক অবস্থা: (ক) পুরুষ। অবিবাহিত। তবে ১ জুলাই ২০২৬ তারিখ যাদের বয়স ২৬ বছরের উপরে হবে সে সব বিবাহিত পুরুষ প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
(খ) নারী। বিবাহিতা/অবিবাহিতা

Manual4 Ad Code

আবেদন ফি: টেলিটক/ভিসা/মাস্টার কার্ড/টিএপি/বিকাশ,নগদ/রকেট ইত্যাদির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১০০০ টাকা এবং অনলাইনে আবেদন ফি বাবদ ১০০০ টাকা জমা দিতে হবে।স্বাস্থ্য ও মৌখিক পরীক্ষা: ১২ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত

লিখিত পরীক্ষা: ৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ৯টায় শহীদ বীর বিক্রম রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনম্যান্ট কলেজ, ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হবে।
লিখিত পরীক্ষার ফলাফল: এপ্রিল ২০২৬
আবেদনের শেষ সময়: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code