৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

সেনাবাহিনীতে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ণ
সেনাবাহিনীতে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সশস্ত্র বাহিনীটি ৯৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিন।আবেদন করা যাবে আগামী ১৪ মার্চ পর্যন্ত। নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

Manual3 Ad Code

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
পদের নাম: অফিসার ক্যাডেট
কোর্স: ৯৭তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্স
পদসংখ্যা: অনির্দিষ্ট

শারীরিক যোগ্যতা-
পুরুষের উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, বুকের মাপ ৩০-৩২ ইঞ্চি, ওজন ৫৪ কেজি। নারীর জন্য উচ্চতা ৫ ফুট ১ ইঞ্চি, বুকের মাপ ২৮-৩০ ইঞ্চি, ওজন ৪৬ কেজি। উচ্চতা ও বয়স অনুসারে সেনাবাহিনীর জন্য নির্ধারিত স্কেলের অতিরিক্ত ওজন হলে অযোগ্য বিবেচিত হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা-
জাতীয় মাধ্যম: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট/সমমান উভয় পরীক্ষায় ন্যুনতম জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ।
ইংরেজী মাধ্যম: ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ও’‌ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যুনতম ২টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২ টি বিষয়েই ন্যুনতম ‘বি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ। সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের জন্য‍: এইচএসসি ও এসএসসি উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যুনতম জিপিএ ৪.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ।

Manual3 Ad Code

২০২৬ সালের এইচএসসি/’এ’ লেভেল পরীক্ষার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়া: বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এইচএসসি/’এ’ লেভেল পরীক্ষার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন; এক্ষেত্রে প্রার্থীদের অবশ্যই এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৫০ অথবা ‘‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ও’‌ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যুনতম ২টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘সি’ গ্রেড থাকতে হবে।
বয়সসীমা: ০১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে ১৬ বছর ৬ মাস হতে ২১ বছর (এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়); সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের জন্য ০১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে ১৮-২৩ বছর।

Manual6 Ad Code

বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত/অবিবাহিতা (বিপত্নীক/বিধবা/বিবাহ বিচ্ছেদকারী/তালাকপ্রাপ্ত নয়)।
আবেদন যেভাবে করতে হবে- আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ সময়: ১৪ মার্চ ২০২৬

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code