৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

মিরসরাইয়ে ব্যাগ-লাগেজের কারখানা করবে কোরিয়ান কোম্পানি, কর্মসংস্থান হবে ১০৯৬০ জনের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে ব্যাগ-লাগেজের কারখানা করবে কোরিয়ান কোম্পানি, কর্মসংস্থান হবে ১০৯৬০ জনের

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান পার্ক হ্যান্ডব্যাগ বিডি লিমিটেড। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার ৯৬০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠান পার্ক হ্যান্ডব্যাগ বিডি লিমিটেডের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি লিজ চুক্তি সই হয়।

Manual7 Ad Code

চুক্তিতে বেপজার পক্ষে সই করেন নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন, এবং পার্ক হ্যান্ডব্যাগের পক্ষে সই করেন চেয়ারম্যান মি. বোমজুন পার্ক। অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Manual5 Ad Code

চুক্তি অনুযায়ী, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার জমিতে একটি আধুনিক কারখানা স্থাপন করবে পার্ক হ্যান্ডব্যাগ বিডি লিমিটেড। কারখানায় হ্যান্ডব্যাগ, ব্যাকপ্যাক ও লাগেজের পাশাপাশি নিট ও ওভেন গার্মেন্টস পণ্য যেমন পোলো শার্ট, টি-শার্ট, প্যাডেড ও ডাউন জ্যাকেট, ট্রাউজার, স্পোর্টসওয়্যার এবং আন্ডারগার্মেন্টস উৎপাদন করা হবে।

Manual5 Ad Code

প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বহু স্থানীয় কর্মী শিল্পখাতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন, যা দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এখানে উৎপাদিত পণ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ দক্ষিণ আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হবে, যা দেশের রফতানি আয় বাড়াতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগকারীকে স্বাগত জানিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সেবা ও সহায়তা প্রদানে বেপজা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বেপজার অধীন ইপিজেড ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে আরও দক্ষিণ কোরীয় উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের উন্নত ও দ্রুত সেবা দিতে বেপজা ধারাবাহিকভাবে সেবা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, অটোমেশন এবং ডিজিটাল সেবার পরিধি সম্প্রসারণ করছে। ‘আমাদের প্রতিনিয়ত আগের চেয়ে ভালো করতে হবে’- এ অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে বেপজার প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব অবস্থান ধরে রাখাতে হবে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে মি. বোমজুন পার্ক বলেন, এখানে কোচ এবং কেট স্পেডের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের জন্য ব্যাগ উৎপাদন করা হবে। বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় ও প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন গন্তব্য। বেপজার দ্রুত, সহজ ও বিনিয়োগবান্ধব সেবা প্রশংসনীয়।

অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পার্ক হ্যান্ডব্যাগ বিডি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code