৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

১৩ জেলায় প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
১৩ জেলায় প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

রোববার (২৬ জানুয়ারি) মোট ১৩ জেলার জন্য এই সূচি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই ১৩ জেলায় আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশিত জেলাগুলো হলো—গাজীপুর, রাজশাহী, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাগুরা, যশোর, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ঠাকুরগাঁও, বরিশাল, মানিকগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী, মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে।

Manual8 Ad Code

অধিদফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলার প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পরীক্ষাসংক্রান্ত যেকোনো হালনাগাদ তথ্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের আবেদনের আপলোড করা ছবি, আবেদনের কপি, নাগরিকত্ব সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ বিভিন্ন কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের জন্য সংশ্লিষ্ট সনদও জমা দিতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ন্যূনতম ৯ম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে স্ব স্ব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

জমাদানের সময় সকল কাগজপত্রের মূল কপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রদর্শন করতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষার সময় এসব সনদ, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রের মূল কপি প্রার্থীকে সঙ্গে আনতে হবে।

Manual8 Ad Code

মৌখিক পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে।

গত ২১ জানুয়ারি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এতে সারাদেশে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। চূড়ান্ত ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৫ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code