৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ডিজিটাল রিপোর্টার নেবে সময়

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ণ
ডিজিটাল রিপোর্টার নেবে সময়

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ডিজিটাল এডিটোরিয়ালে রিপোর্টার পদে কর্মী নেবে সময় মিডিয়া লিমিটেড। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
ডিজিটাল রিপোর্টার নেবে সময়।

Manual5 Ad Code

পদবি: রিপোর্টার
ডিপার্টমেন্ট: ডিজিটাল এডিটোরিয়াল
কাজের ধরন: ফুল-টাইম
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
কর্মস্থল: ঢাকা

Manual1 Ad Code

দায়িত্বসমূহ:
১. সহজবোধ্য, নির্ভুল এবং আকর্ষণীয় সংবাদ তৈরি করা।
২. সোশ্যাল মিডিয়া এবং সার্চ ইঞ্জিনের জন্য আকর্ষণীয় নীতিসম্মত “clickable” শিরোনাম তৈরি করা।
৩. তথ্যের নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন খাতে নির্ভরযোগ্য সোর্স বা সূত্র তৈরি এবং বজায় রাখা।
৪. ভুল তথ্য বা গুজব ছড়ানো রোধ করতে সব ধরণের তথ্য, ছবি এবং ভিডিও কঠোরভাবে যাচাই করা।
৫. ট্রেন্ডিং বিষয় এবং ব্রেকিং নিউজ শনাক্ত করতে সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রতিদ্বন্দ্বী নিউজ সাইটগুলো পর্যালোচনা করা।
৬. যেকোনো ঘটনা, প্রতিবাদ বা সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন সরাসরি স্পটে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে প্রস্তুত থাকা।
৭. গুগল র‍্যাঙ্কিংয়ে নিউজ এগিয়ে রাখতে বেসিক এসইও (SEO) কৌশল যেমন— কি-ওয়ার্ড ব্যবহার এবং ইন্টারনাল লিঙ্কিং প্রয়োগ করা।
৮. জনস্বার্থ বুঝতে এবং ফলো-আপ স্টোরি আইডিয়া খুঁজে পেতে পাঠকদের মন্তব্য ও মতামত পর্যবেক্ষণ করা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: আগ্রহী প্রার্থীদের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

অন্যান্য যোগ্যতা:
স্পষ্ট প্রতিবেদনের জন্য চমৎকার লিখনশৈলী ও যোগাযোগ দক্ষতা।
বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য শক্তিশালী গবেষণা দক্ষতা।
বস্তুনিষ্ঠতা ও সাংবাদিকতার নীতিমালা মেনে চলা;
শিল্পের দ্রুত পরিবর্তনশীল গতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

যেকোনো বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাশক্তি থাকা;
চাপের মধ্যে কাজ করা এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা (Deadline) বজায় রাখার সক্ষমতা।

Manual1 Ad Code

বিশেষ সংবাদ তৈরির জন্য যোগাযোগ দক্ষতা থাকা;
অনলাইন সাংবাদিকতা, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কমিউনিটি গাইডলাইন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান।

Manual6 Ad Code

আবেদনের লিঙ্ক: https://forms.gle/NAvMjiuiZRdUh8dz7
সময়সীমা: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code