৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮৬ জনের চাকরির সুযোগ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮৬ জনের চাকরির সুযোগ

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ১২ থেকে ১৬তম গ্রেডের ৮৬টি পদে এই নিয়োগ দেয়া হবে। আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হবে ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮৬ জনের চাকরির সুযোগ

চাকরির বিবরণ–
১. পদের নাম: সিনিয়র টেকনিশিয়ান (ইলেকট্রনিকস)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)
২. পদের নাম: সিনিয়র টেকনিশিয়ান (রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং)
পদসংখ্যা: ০২
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)
৩. পদের নাম: সিনিয়র টেকনিশিয়ান (মেশিনিস্ট)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)
৪. পদের নাম: সিনিয়র টেকনিশিয়ান (ওয়েন্ডার কাম শিট মেটাল)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)
৫. পদের নাম: সিনিয়র টেকনিশিয়ান (মেকানিক্যাল ফিটার)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)

Manual6 Ad Code

৬. পদের নাম: সিনিয়র টেকনিশিয়ান (পেইন্টার)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)
৭. পদের নাম: টেকনিশিয়ান (ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)
৮. পদের নাম: টেকনিশিয়ান (ইলেকট্রনিকস)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)
৯. পদের নাম: টেকনিশিয়ান (রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং)
পদসংখ্যা: ০১
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)
১০. পদের নাম: জুনিয়র মেকানিক
পদসংখ্যা: ৭৬
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)
বয়সসীমা
১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১৮–৩২ বছর।
**৭, ৮ ও ৯ নম্বর পদে বিভাগীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর।

আবেদনের নিয়ম
পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীগণ ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করবেন।
আবেদন ফি
১–৬ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা, টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১৮ টাকাসহ মোট ১৬৮ টাকা;
৭–১০ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ১০০ টাকা, টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।

Manual6 Ad Code

*অনগ্রসর নাগরিকদের ক্ষেত্রে সব পদের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা, টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা।
**আবেদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি জমা দিতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ
আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদান শুরুর তারিখ ও সময়: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, সকাল ১০.০০টা;
আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ও সময়: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, বিকেল ০৫:০০ টা।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code