২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রাশিয়াকে ‘যৌক্তিক জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি জেলেনস্কির

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ০২:৪৬ অপরাহ্ণ
রাশিয়াকে ‘যৌক্তিক জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি জেলেনস্কির

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

রাশিয়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চাইলে ‘যৌক্তিক জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

Manual6 Ad Code

এছাড়া, পুতিন বাহিনীর হামলার জবাবে রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের তেল, পাইপলাইন, জাহাজ ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে কিয়েভ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে হামলার জবাবে রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের তেল, পাইপলাইন, জাহাজ ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় সেনারা।
দুই দেশের সংঘাত নিয়ে এক মন্তব্যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি চুক্তি হবে কি না, সে বিষয়ে তার আত্মবিশ্বাস নেই। তার মতে, দনবাস, জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্র আর নিরাপত্তা নিশ্চয়তা– এসব ইস্যুই যুদ্ধবিরতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Manual5 Ad Code

এদিকে স্থানীয় সময় সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কিয়েভের সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ভালোদিমির জেলেনস্কি। এসময় সবকটি সম্মুখ যুদ্ধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তিনি বলেন, সম্প্রতি রাশিয়ার হামলার তীব্রতা বেড়েছে।
একইসঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাশিয়া যদি শান্তি আলোচনায় পুরোপুরি আন্তরিক না হয় আর যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার পথ বেছে নেয়, তাহলে ইউক্রেনও সম্পূর্ণ যৌক্তিকভাবে জবাব দেবে।

Manual7 Ad Code

বৈঠকে পাল্টা হামলা ও ওডেসাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষার বিষয়ও উঠে আসে।
এরমধ্যেই ইউক্রেনকে ২৭০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বেলজিয়াম জানায়, এই অর্থ যুদ্ধের মধ্যেও অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে কিয়েভ প্রশাসনকে সহায়তা করবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code