২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন ১৯ বসতি স্থাপনের পথে ইসরাইল

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১০:২১ অপরাহ্ণ
অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন ১৯ বসতি স্থাপনের পথে ইসরাইল

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১৯টি নতুন বসতি স্থাপনে স্বীকৃতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরাইলের সিকিউরিটি ক্যাবিনেট বা নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা।
ইসরাইলের চরম ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের সঙ্গে যৌথভাবে প্রস্তাবটি উত্থাপন করে বলেছন, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো ‘ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা ঠেকানো’।

Manual4 Ad Code

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপন আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে অবৈধ বলে বিবেচিত।
এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। আর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ইসরাইলের ‘নিরবচ্ছিন্ন’ বসতি সম্প্রসারণ সহিংসতা উসকে দিচ্ছে, ফিলিস্তিনিদের সেখানে প্রবেশ সীমিত করছে এবং একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিম তীরে সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, বসতি সম্প্রসারণ ইসরাইলের দখল আরও পাকাপোক্ত করবে এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান দুর্বল হয়ে পড়বে বলেও আশঙ্কা আছে।

দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান অনুযায়ী, পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকাকে নিয়ে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। তবে বর্তমান ইসরাইলি সরকার এই ধারণার বিরোধিতা করে আসছে। ২০২২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসরাইল সরকার নতুন বসতি অনুমোদনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বসতি সম্প্রসারণ ২০১৭ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। নতুন অনুমোদিত বসতিগুলোর মধ্যে গানিম ও কাদিম নামে দুটি বসতি রয়েছে, যেগুলো প্রায় ২০ বছর আগে ভেঙে ফেলা হয়েছিল।

Manual1 Ad Code

চলতি বছরের মে মাসে ইসরাইল পশ্চিম তীরে ২২টি নতুন বসতি স্থাপন অনুমোদন করে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত।
পর্যবেক্ষণ সংস্থা পিস নাও–এর তথ্যমতে, বর্তমানে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে প্রায় ৭ লাখ ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছে।

Manual3 Ad Code

এদিকে, বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে আরব দেশগুলোর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

তারা বলছে, এই নীতি শান্তি প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং পশ্চিম তীর সংযুক্ত (অ্যানেক্সেশন) হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।

র আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, পশ্চিম তীর আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করা হলে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাতে পারে।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code