২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

খেলোয়াড় ও কোচ সরবরাহে সৌদির প্রস্তাবে বিসিবির ‘না

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১০:০৯ অপরাহ্ণ
খেলোয়াড় ও কোচ সরবরাহে সৌদির প্রস্তাবে বিসিবির ‘না

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, খেলোয়াড় ও কোচ সরবরাহের বিষয়ে সৌদি আরবের অনুরোধ তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রস্তাব মেনে নিলে ওই খেলোয়াড়রা আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ভবিষ্যতে সৌদি আরবের হয়ে খেলতে পারতেন। বাংলাদেশের কাছে খেলোয়াড় ও কোচ চেয়েছিল সৌদি আরব, তবে সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বিসিবি। ‘ভিশন ২০৩০’ কৌশলের অংশ হিসেবে ক্রিকেটে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য আর্থিক বিনিয়োগ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে তারা ঘরোয়া ক্রিকেটের দ্রুত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অগ্রগতির দিকেও জোর দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শক্তিশালী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে সৌদি আরব বিভিন্ন টেস্ট খেলুড়ে দেশ থেকে খেলোয়াড় আনার পরিকল্পনা করছে, যারা প্রয়োজনীয় আইনি ও যোগ্যতা সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শেষ করে দীর্ঘমেয়াদে তাদের হয়ে খেলবেন। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করেছে। ক্রিকবাজ জানিয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরব বিসিবির কাছে খেলোয়াড় সরবরাহের অনুরোধ জানায়। তবে বিসিবি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ক্রিকবাজকে বলেন, ‘দুই মাস আগে তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, এবং আমি না বলে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে পুরুষ ও নারী—দু’ধরনের খেলোয়াড়ই চেয়েছে, পাশাপাশি কোচও চেয়েছে। কিন্তু নিজের দেশের স্বার্থের বিনিময়ে আমি কীভাবে তাদের খেলোয়াড় বা কোচ দিতে পারি?’ লিভ গলফ, ফর্মুলা ওয়ান এবং ২০৩৪ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ত্ব লাভের মাধ্যমে সৌদি আরব এরমধ্যেই বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছে। এখন আইসিসি ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) কৌশলগত সমর্থনে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রিকেটের নতুন কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পথে এগোচ্ছে।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code