২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ব্রাজিলে বাংলাদেশিদের জন্য দেড়শ স্কলারশিপের ব্যবস্থা, পড়ছেন মাত্র একজন!

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
ব্রাজিলে বাংলাদেশিদের জন্য দেড়শ স্কলারশিপের ব্যবস্থা, পড়ছেন মাত্র একজন!

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ব্রাজিলে উচ্চশিক্ষায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০টি স্কলারশিপের সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার। কিন্তু পড়ছেন মাত্র একজন। ভাষাগত জটিলতা আর ভৌগোলিক দূরত্বই অনাগ্রহের মূল কারণ। এই বাধা দূর করতে ঢাকায় শিগগিরই খুলছে পর্তুগিজ ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র। পাশাপাশি দেশটির শিক্ষাব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বিনিময়ে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান ব্রাজিলে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত।
ব্রাজিলে বাংলাদেশিদের জন্য দেড়শ স্কলারশিপের ব্যবস্থা, পড়ছেন মাত্র একজন!

Manual3 Ad Code

ব্রাজিল মানেই ফুটবল; পেলে, রোনালদো কিংবা হালের নেইমারের জন্মভূমি। ফুটবল ছাড়াও দেশটির শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাত সমৃদ্ধ। কিন্তু সেসবের সুযোগ খুব একটা নিতে পারেনি বাংলাদেশ।
ব্রাজিলের শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। কিন্তু দেশটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে যেতে আগ্রহী নন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। এর পেছনে বড় কারণ ভাষাগত জটিলতা ও ভৌগোলিক দূরত্ব। ব্রাজিলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশিদের জন্য দেড়শ স্কলারশিপের ব্যবস্থা থাকলেও পড়ছেন মাত্র একজন।

Manual6 Ad Code

ইউনিভার্সিটি অব ব্রাসিলিয়ার শিক্ষার্থী মাসুক মনে করেন, পর্তুগিজ ভাষা শেখার সুযোগ পেলে ব্রাজিলে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী হবেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও।
মুহতাসিম আজাদ মাসুক বলেন, ‘আমি কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করতেছি। এখানে পড়াশোনার মানটা অনেক উন্নত। কোনো টিউশন ফি নেই, বরং আপনি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসেবে স্টাইপেন পাচ্ছেন। এরা ইউরোপ-আমরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কানেক্টেড।’

Manual3 Ad Code

ভাষা জটিলতা কাটিয়ে ব্রাজিলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ সৃষ্টিতে ঢাকায় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খোলাসহ নানা উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান ব্রাজিলে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘ব্রাজিল সরকার কিন্তু আমাদেরকে অনেকগুলো স্কলারশিপ অফার করে। কিন্তু ইউরোপ-আমরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো এগুলোর খুব একটা প্রচার নেই। এখানে বাধা হয়ে আছে ভাষা। তবে এ ভাষা জটিলতা কাটাতে ঢাকায় ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে।’

ব্রাজিলের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে বাংলাদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশটির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code